Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পাণ্ডবরা স্বর্গে গিয়েছিলেন এই পথে, মহাভারতের বহু ঘটনার সাক্ষী ভারতের শেষ গ্রাম

পাণ্ডবদের স্বর্গে যাওয়ার সাক্ষী ভারতের শেষ গ্রাম। মহাভারতের আরও অনেক ঘটনা রয়েছে এই গ্রামকে কেন্দ্র করে। পাণ্ডবদের যাত্রাপথের বহু স্মৃতি আজও বহমান।

মহাভারত শেষ পাণ্ডবরা স্বশরীরে স্বর্গের পথে রওনা দিয়েছিলেন। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে একমাত্র স্বশরীরে স্বর্গে পৌছেছিলেন জ্যেষ্ঠ পাণ্ডব যুধিষ্ঠির। বাকিরা স্বর্গের পথেই দেহত্যাগ করেছিলেন বলে কথিত আছে। তাঁরা যে পথ দিয়ে স্বর্গে গিয়েছিলেন, সেই পথ শুরু হয়েছিল ভারতের এই শেষ গ্রামে।

শুরু ‘স্বর্গ’-এ যাওয়ার পথ!

শুরু ‘স্বর্গ’-এ যাওয়ার পথ!

পাণ্ডবদের স্বর্গে যাওয়ার সাক্ষী ভারতের শেষ গ্রাম মহাভারতের বহু ঘটনার সাক্ষী। তাঁদের যাত্রাপথের বহু স্মৃতি আজও বহমান ভারতের শেষ গ্রাম বলে স্বীকৃত উত্তরাখণ্ডের মানা গ্রামে। এই গ্রামের পরই শুরু 'স্বর্গ'-এ যাওয়ার পথ! এই গ্রামের প্রবেশদ্বারে লেখা- 'ভারতের শেষ গ্রাম'।

অন্য সবার থেকে আলাদা

অন্য সবার থেকে আলাদা

উত্তরাখণ্ডের এই মানা গ্রাম থেকে পাহাড়ি চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রাস্তা চলে যাচ্ছে 'স্বর্গ'-অভিমুখে। বদ্রীনাথ মন্দিরে যেতে গেলেও এই গ্রাম পেরিয়েই যেতে হয়। তাই এই গ্রাম পেরোলেই যে পুণ্যের খোঁজ মেলে তা বলাই বাহুল্য। আসলে স্বর্গের পথের খোঁজ দেয় যে গ্রাম, সে গ্রাম তো অন্য সবার থেকে আলাদা হবেই।

মানা গ্রামের মহাভারত-যোগ

মানা গ্রামের মহাভারত-যোগ

মহাতীর্থ বদ্রীনাথের নিকটবর্তী পাহাড়ি গ্রাম মানা। এই গ্রামে সঙ্গে রয়েছে মহাভারতের যোগসূত্র। ধর্মীয় বিশ্বাস, মহাভারতের সময় পাণ্ডবরা স্বশরীরে স্বর্গের পথে রওনা দিয়েছিলেন এই গ্রাম দিয়েই। এই গ্রাম পেরিয়েই স্বর্গের পথ ধরেছিলেন তাঁরা। তারপর পৌঁছেছিলেন স্বর্গের দ্বারে।

স্বর্গে যাওয়ার সেতু গড়েন ভীম

স্বর্গে যাওয়ার সেতু গড়েন ভীম

নান্দনিক সৌন্দর্যের এই মানা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সরস্বতী নদী। এই নদী স্বর্গ থেকে প্রবাহিত বলে বিশ্বাস মানুষের। আর এই সরস্বতী নদীর কাছেই রয়েছে পাথরের সেতু। এই সেতুর নাম 'ভীম পুল'। কথিত আছে, স্বর্গে যাওয়ার পথে এই সেতুটি তৈরি করেছিলেন দ্বিতীয় পাণ্ডব ভীম। তা থেকেই সেতুটির নাম 'ভীম পুল' হয়েছে। ভীম সেতু গডে দেওয়ার পরই দ্রৌপদী পেরিয়েছিলেন নদী। তারপর গিয়েছিলেন স্বর্গের পথে।

নীলকণ্ঠ শৃঙ্গের উপর বদ্রীনাথ

নীলকণ্ঠ শৃঙ্গের উপর বদ্রীনাথ

স্বর্গের রাস্তার প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত মানা। মানার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফলে এই গ্রামের দর্শনীয় স্থানগুলিও মনোরম ও আকর্ষণীয়। আর এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ হল নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ। মানা গ্রাম থেকে পাহাড়ি পথ পেরিয়ে ৬৯৫৭ ফুট উঁচুতে এই শৃঙ্গের উপরই অবস্থিত বদ্রীনাথ মন্দির।

মানা গ্রামে রয়েছে ব্যাস গুহা

মানা গ্রামে রয়েছে ব্যাস গুহা

মানা গ্রামে একটি গুহা রয়েছে। সেই গুহাকে ঘিরেও রয়েছে নানা কথকথা। কথিত আছে, এই গ্রামেই থাকতেন মহাকবি বেদব্যাস। তাঁর নামেই গুহাটির নাম হয়েছে ব্যাস গুহা। এই গুহার ভিতরে বসেই তিনি মহাভারত রচনা করেছিলেন বলে শোনা যায় লোকমুখে। এই গুহায় রয়েছে একটি ছোটো মন্দির। এখন সেই মন্দিরে পূজিত হন ঋষি বেদব্যাস। প্রায় ৫০০০ বছর প্রাচীন এই মন্দিরটি।

কোথায় অবস্থিত শেষ গ্রাম

কোথায় অবস্থিত শেষ গ্রাম

ভারতের এই শেষ গ্রাম অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই গ্রামের উচ্চতা প্রায় ৩২০০ মিটার ঊর্ধ্বে। আর এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সরস্বতী নদী। এই গ্রাম থেকে বদ্রীনাথের দূরত্ব মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। আর চিন সীমান্ত মাত্রা ২৪ কিলোমিটার দূরে।

কীভাবে পৌঁছবেন মানা গ্রামে

কীভাবে পৌঁছবেন মানা গ্রামে

হৃষিকেশ বা হরিদ্বার থেকে উত্তরাখণ্ডের মানা গ্রামে পৌঁছনো যায়। বদ্রীনাথ দর্শন সেরেও অনেকে যায় মানা গ্রামে। মানার নিকটতম রেল স্টেশন হল হরিদ্বার। হরিদ্বার থেকে দূরত্ব প্রায় ২৭৫ কিলোমিটার। হরিদ্বার স্টেশনের বাইরে মানা গ্রামে যাওয়ার বাস বা ট্যাক্সি পাওয়া যায়। দেরাদুন থেকে দূরত্ব ৩১৫ কিলোমিটার। দেরাদুন স্টেশনের বাইরেও রয়েছে বাস ও ট্যাক্সি।

ছবি সৌ:উইকিডিয়া

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+