বিরুষ্কা'র বিয়ে, নস্টালজিক শর্মিলা, জানালেন পতৌদি ও তাঁর সম্পর্কের না জানা কথা
এত ঢাক ঢাক গুড় গুড় করেও যেদিকেই কান পাতা হচ্ছে সেখান থেকেই এক খবর বিয়ে করছেন বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা ,এরই মধ্যে নিজেদের প্রেম পর্ব নিয়ে মুখ খুললেন শর্মিলা ঠাকুর
বিরাট অনুষ্কার প্রেম নিয়ে এখন উত্তাল গোটা দেশ। আর ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের চক্করে এখন বিদেশও জড়িয়ে গেছে এর সঙ্গে। এই অবস্থায় মুখ খুললেন শর্মিলা ঠাকুর। একসময়ের বলিউডের এক নম্বর বিয়ে করেছিলেন তদানীন্তন ক্রিকেটের এক নম্বর মনসুর আলি খান পতৌদিকে।

ক্রিকেট ও বলিউড দুটো এখন পাশাপাশি চলে। কিন্তু ট্রেন্ডসেটার যাঁরা ছিলেন তাঁরা হলেন পতৌদি ও শর্মিলা। আজ বিরুষ্কার বিয়ের সানাই যখন বাজলো বলে ঠিক তখনই স্মৃতির সারণী বেয়ে হাঁটলেন বলিউডের বিকিনি গার্ল শর্মিলা। শর্মিলা জানিয়েছেন, 'পতৌদি আর আমি যখন ডেটিং করছি, তখন বান্ধবী আর স্ত্রীদের ক্রিকেটারদের সঙ্গে যাওয়ার বা ঘুরে বেড়ানোর অনুমতি ছিল না। তাও আমি ইংল্যান্ডে গিয়েছিলাম। ওর খেলা দেখব বলে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সফরে সে সুযোগ পাইনি। আসলে দু'একবার এমন প্রচার শুরু হল, যেন আমিই ওর পারফরমেন্স খারাপ হওয়ার জন্য দায়ি।'

এদিকে সেসময় নেটদুনিয়ার আধিপত্য না থাকায় প্রেমটা অনেক ব্যক্তিগত ছিল এমনটাই মত শর্মিলার। তাঁর সাফ কথা, 'আমি যখন প্যাটের সঙ্গে ডেট করছিলাম , তখন কোনও সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। কোনও টুইটার ছিল না , যেখানে লোকজন আমাদের দোষারোপ করতে পারে, কেউ কারোর বাড়ির সামনে পাথর হাতে দাঁড়িয়ে থাকত না, এখন যেটা হয়। '

ক্রিকেটই তাঁদের পথ মিলিয়ে দিয়েছিল সেটা অবশ্য মানতে নারাজ বঙ্গ কন্যা। শর্মিলা বলেছেন, 'আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা ছোট থেকেই ছিল। আমার বাবা-মা ক্রিকেট দেখতে ভালোবাসতেন, তাঁরা একটা ম্যাচও বাদ দিতেন না। ফলে আমিও ছোট থেকে ক্রিকেট দেখতাম। ফলে পতৌদি আমার জীবনে আসার আগে থেকেই ক্রিকেট ভালবাসতাম। বরং আমি ক্রিকেট ভালোবাসি বলে ওঁর আমাকে ভালো লাগত। আমি খেলা দেখতে কখনো বোর হতাম না। '
টাইগার পতৌদির সঙ্গে তিনি যখন প্রেম করতেন, তখন এই ব্যাপারগুলো বড্ড কঠিন ছিল। তখন হাতে হাতে স্মার্ট ফোনও আসেনি। ফলে একটা ফোন কল পেতে রাতভর জাগতে হত। অনেকসময় তাও কথা বলা যেত না। 'যোগাযোগ করা সেই সময় ছিল খুব কঠিন ব্যাপার। ল্যান্ডলাইনে আগাম কল বুক করতে হত। শেষ মেশ হয়ত লাইন পাওয়া গেল রাত ১টা বা আরও অনেক রাতে। সেই সময় হোটেলের রুমেও সব সময় ফোন থাকত না। তাই বাধ্য হয়ে রিসেপশনে গিয়ে টেলিফোন অপরেটারের সঙ্গে কথা বলতাম। এমনও হয়েছে, ওর থেকে বেশি আমি কথা বলেছি টেলিফোন অপরেটরের সঙ্গে! তাই আমাদের যখন বিয়ে হল, হোটেলের টেলিফোন অপরেটররা আমাদের আলাদা করে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিল।'












Click it and Unblock the Notifications