রাম ও রাবণের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? অমিত শাহর কাছে জানতে চাইলেন বরুণ ধাওয়ান
বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান রামায়ণ সম্পর্কে সাম্প্রতিক ইভেন্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে কথা বলেছেন। অভিনেতা নয়াদিল্লিতে একটি কনক্লেভে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি ইভেন্টে তার অনুষ্ঠান শেষ করার পরে, অমিত শাহ দর্শকদের মধ্যে বসে থাকতে দেখেন অভিনেতাকে। এরপর সামগ্রিক প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষে বরুণ ধাওয়ান অমিত শাহের প্রশংসা করতে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তাঁর সাথে রামায়ণের সাথে অহংকার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
কৌতূহলী বরুণ ধাওয়ান, অমিত শাহর কাছে জানতে চান, 'রাম এবং রাবণ এই দুটি চরিত্রের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?'

এদিন বরুণ খুব সাবলীল ভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, "লোকেরা তাকে রাজনীতিতে চাণক্য বলে ডাকে, কিন্তু আমি তাকে আমাদের দেশের হনুমান বলতে চাই, যিনি নিঃস্বার্থভাবে জাতির সেবা করেন"। এরপরই রামায়ণের বিষয়টি তুলে ধরে, অভিনেতা শাহকে জিজ্ঞাসা করেন, "ভগবান রাম এবং রাবণের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী ছিল?"
অভিনেতার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, "কিছু মানুষের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ধর্মের উপর নির্ভরশীল। ধর্ম মানে বলতে চাইছি কর্তব্য। আর কিছু মানুষের ধর্ম তাঁদের স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত হয়। এটাই রাম ও রাবণের মধ্যে পার্থক্য। রাম ধর্মের ব্যাখ্যা অনুযায়ী জীবন যাপন করতেন। রাবণ ধর্মকে নিজের ব্যাখ্যা অনুযায়ী বদলানোর চেষ্টা করেছেন"।
শাহর এই জবাবে হাততালি দিয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। বরুণ ধাওয়ান বলেন, "আপনি অহংকার নিয়েও কথা বলেছিলেন। সেটা শুনে আমার একটি কথা মনে হয়েছিল, রাবণের জ্ঞানের অহংকার ছিল, আর ভগবান রামের অহংকার সম্পর্কে জ্ঞান ছিল"।
এই বিষয়টি শুনে অমিত শাহ বলেন, ধর্মের সংজ্ঞার মধ্যেই এই বিষয়টি চলে আসে। তাই রাম-রাবণকে বুঝলে এই বিষয়গুলিও বোঝা যায়। এদিন অমিত শাহর ভূয়সী প্রশংসা করেন অভিনেতা। তাই কার্যত তাঁর বক্তব্য শুনতেই এদিন এই অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অভিনেতা।












Click it and Unblock the Notifications