২২ তারিখে মুক্তি তার আগে 'ককপিট' ট্রায়ালে দেব-কোয়েল-রুক্মিনী, দেখুন ফোটোগ্যালারি
'ককপিট'-এর গল্প একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। আর সত্য কাহিনির আধারে 'ককপিট'-এর সিনেম্যাটিক ভাবকে বাস্তবের মাটিতে রাখতে কসুর করেননি দেব। সিনেমার অধিকাংশ শ্যুটিং-ই হয়েছে সত্যিকারের প্লেনের ভিতরে।
২২ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে দেব এন্টারটেনমেন্টের নতুন ছবি 'ককপিট'। প্রযোজক হিসাবে আত্মপ্রকাশের পর চলতি বছরে এটা দেব-এর দ্বিতীয় ছবি। এর আগের ছবি ছিল 'চ্যাম্প'। আর এবার 'ককপিট'। সম্পূর্ন ভিন্ন মেজাজের গল্পকে এই ছবিতে বেছেছেন দেব। পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়।
দেবীপক্ষে যেহেতু 'ককপিট'-এর মুক্তি তাই রীতিমতো শারদীয় মেজাজেই ছবির মিউজিক রিলিজের অনুষ্ঠান সারলেন দেব। অভিনবত্ব এবং চমকে যা জবরদস্ত হিট-ই বলা চলে। কারণ, এর আগে অন্য কোনও বাংলা সিনেমার মিউজিক লঞ্চ এতটাই নাটকীয়ভাবে হয়েছে কি না তা কিন্তু চট করে কেউ খেয়াল করতে পারছেন না।

মাটিতে থেকে ৩৬ হাজার ফুট উপরে...
এমনি এমনি তো মাটি থেকে ৩৬ হাজার বা ৪০ হাজার ফুট উপরে ওঠা সম্ভব নয়। সবাইকে ৪০ হাজার ফুটের কাছাকাছি নিয়ে যেতে তাই আস্ত একটা প্লেনই ভাড়া করেছিলেন দেব। সকলে বলতে টিম 'ককপিট'-এর দুই নায়িকা কোয়েল-রুক্মিনী থেকে শুরু করে পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় এবং অন্য কলা-কুশলীরা।

'ককপিট'-এ মহারাজ
আসলে দেব সবসময়ই সবাইকে চমক দিতে ভালবাসেন। এমন এমন চমক তাঁর পকেট থেকে বের হয় যে তা আঁচ করাটাই কঠিন। যেমন, 'ককপিট'-এর মিউজিক লঞ্চে খোদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে চলে আসা। ক্রিকেট খেলে নাম করলেও সৌরভের সিনেমা আসক্তি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার দরকার নেই। তাই দেবকে দেওয়া কথা রাখতে মহারাজও হাজির হয়ে পড়েছিলেন টিম 'ককপিট'-এর মাঝখানে।

কি জন্য এত আয়োজন?
'ককপিট' মানে বিমানে যেখানে পাইলটরা থাকেন। যেখান থেকে প্লেন চালানো হয়। তাই এমন একটা বিষয়ের সিনেমা মানেই তাতে রোমাঞ্চ আর রুদ্ধশ্বাস সব জিনিস থাকবে তাতে সন্দেহ নেই। ছবির প্রযোজক তথা নায়ক দেব চেয়েছিলেন যেন 'ককপিট'-এর এই জার্নিটা আগাগোড়াই যেন রুদ্ধশ্বাস এবং টানটান থাকে। সেই কারণে সবাইকে নিয়ে মাঝ আকাশে 'ককপিট'-এর মিউজিক লঞ্চের পরিকল্পনা এঁটেছিলেন তিনি।

'ককপিট'-এর আগাম টিকিট
বিমানে ওঠার আগেই কোয়েলকে 'ককপিট'-এর টিকিট ধরালেন দেব। সেই টিকিট হাতে কোয়েলকে পেছনে রেখে ছবিও তুললেন।

মহারাজ-এর সঙ্গে টিম 'ককপিট'-এর ফোটো সেশন
মহারাজ বলে কথা। তাঁকে কি চট করে পাওয়া যায়! তাই সৌরভকে প্রায় বগলদাবার মতো পাকড়াও করেছিল টিম 'ককপিট'।

বিমানে ওঠার আগে সেলফি
'ককপিট' বলে কথা। তাই সেখানে যাওয়ার আগে একটি সেলফি না নিলে হয়। তাই বিমানে ওঠার আগে সেলফি উন্মাদনায় মাতলেন কোয়েল ও রুক্মিনী।

নিরাপত্তার গেড়ো, তাই টারম্যাকেই মিউজিক লঞ্চ
বিমান তো ভিড়ে টইটম্বুর। তাই ৩৫ হাজার ফুট উপরে এত লোককে সঙ্গে করে মিউজিকে লঞ্চে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই নিরাপত্তা নির্দেশ মেনেই বিমানে ওঠার আগেই সারতে হল মিউজিক লঞ্চ। দমদম বিমানবন্দরে বিমানে ওঠার সিড়িতে দাঁড়িয়েই দেব-কোয়েল রুক্মিনী-সৌরভ-কমলেশ্বররা একযোগে করে ফেললেন 'ককপিট'-এর মিউজিক লঞ্চ।

'ককপিট'-এ এলেন দেব
তবে এদিন আর 'ককপিট'-এ গেলেন না দেব। বসে পড়লেন সামনের আসনে। আসলে এদিন তো বিমান চালিয়েছেন অন্য পাইলট। তাই দেবকে বসতেই হল বিমানের যাত্রী সিটে।

অবশেষে বিমান
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিমান এবার দমদম বিমানবন্দর থেকে পাড়ি জমাল অন্ডাল বিমানবন্দরের উদ্দেশে। ততক্ষণে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বিমানের আসন দখল করে নিয়েছে টিম 'ককপিট'। এরপর উড়ানের মধ্যেই দেদার মজা করলেন দেব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।

অন্ডালে আরও এক প্রস্থ উদ্বোধন
অন্ডালের টারম্যাক-এ দাঁড়িয়েও আরও একবার হল মিউজিক লঞ্চ। সেখানে ফের সাংবাদিক সম্মেলন করেন দেব। সংবাদমাধ্যমের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে 'ককপিট'-কে সফল করতে সকলের সাহায্য চান।
'ককপিট'-এর গল্প একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। আর সত্য কাহিনির আধারে 'ককপিট'-এর সিনেম্যাটিক ভাবকে বাস্তবের মাটিতে রাখতে কসুর করেননি দেব। সিনেমার অধিকাংশ শ্যুটিং-ই হয়েছে সত্যিকারের প্লেনের ভিতরে। পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্য়ায়ও প্রতিটি জিনিসকে নিঁখুত করে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। 'ককপিট' বলতে গেলে দেবের ফিল্মি কেরিয়ারে এক বাঁক হতে চলেছে। এর সাফল্য দেবকে যে এক অন্য শিখরে পৌঁছে দেবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।












Click it and Unblock the Notifications