মৃণাল সেন থেকে গুরু দত্তের সিনেমার অন্যতম মুখ, চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী
প্রবীণ অভিনেত্রী স্মৃতি বিশ্বাস চলে গেলেন। বাংলা, হিন্দি ছবিতে একসময় অভিনয় করেছেন এই প্রখ্যাত, কিংবদন্তি অভিনেত্রী। তাঁর অভিনয় যথেষ্ট প্রশংসাও পেয়েছিল সেই সময়। বৃহস্পতিবার তিনি মারা গিয়েছেন। এক সময়ের হার্টথ্রব ছিলেন তিনি৷
বেশ কয়েকটি হিন্দি, মারাঠি এবং বাংলা ছবিতে কাজ করেছিলেন তিনি। মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরে তার বাড়িতেই মারা গিয়েছেন প্রবীণ অভিনেত্রী। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।

মৃত্যুকালে এই অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল ১০০ বছর৷ দীর্ঘ সময় ধরেই বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। নাসিক শহরের এক কামরার ভাড়ার ফ্ল্যাটে তিনি থাকতেন। ইনস্টাগ্রামে ফিল্ম হেরিটেজ ফাউন্ডেশন প্রবীণ অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছে।
স্মৃতি বিশ্বাস চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শতবর্ষে পড়েছেন। জন্মদিন উদযাপন করাও হয়েছিল বলে খবর। ১৯৪০ ও ১৯৫০ এর দশক। সেই সময়ের সবচেয়ে প্রাণবন্ত এবং আকর্ষণীয় অভিনেতাদের মধ্যে একজন ছিলন তিনি।
সেই সময়ের সিনেমায় অত্যন্ত পরিচিত মুখ ছিলেন স্মৃতি। নেগেটিভ ভ্যাম্প চরিত্রে তিনি যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। সমান্তরাল চরিত্রেও তিনি সমানভাবে অভিনয়ের ছাপ রেখেছিলেন। সিনেমার প্রধান নায়িকা সেই অর্থে তিনি হতে পারেননি৷ তবে দ্বিতীয় প্রধান নায়িকার চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।
তিনি একজন শিশু শিল্পী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। গুরু দত্ত, ভি শান্তরাম, মৃণাল সেন, বিমল রায়, বিআর চোপড়া এবং রাজ কাপুরের মতো উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। স্মৃতি বিশ্বাস একাধিক ছবিতে দেব আনন্দ, কিশোর কুমার এবং বলরাজ সাহনির মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। তিনি বাংলা চলচ্চিত্র সন্ধ্যা (১৯৩০) দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে আত্মপ্রকাশ করেন। মডেল গার্ল (১৯৬০) ছিল তার শেষ হিন্দি ছবি।
চলচ্চিত্র নির্মাতা এস ডি নারাংকে বিয়ে করার পর অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন স্মৃতি বিশ্বাস। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি নাসিকে চলে যান। চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি তার একশো তম জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন। দুই পুত্র রাজীব এবং সত্যজিৎকে রেখে গেলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications