বলিউড অভিনেতা সলমন খানের জীবনের এই অজানা তথ্য গুলি কী আপনি জানেন
বলিউড অভিনেতা সলমন খানের জীবনে এই অজানা তথ্য আপনার কী
বলিউডের দাবাং বলেই পরিচিত সলমন খান। তিনি প্রায় সময়েই লাইম লাইটে থাকেন। তাকে চেনেন না এমন মানুষের সংখ্যা নেই বললেই চলে। তাছাড়াও অভিনেতা কিন্তু একজন ধনী অভিনেতা। বলিউড সিনেমায় তিনি অনেক সুন্দর সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। ৩০ বছর সিনেমার সঙ্গে যুক্ত এই অভিনেতা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অভিনেতা কিন্তু সফল অভিনেতাদের মধ্যে একজন।

অভিনয় ছাড়াও কিসে কিসে পারদর্শী তিনি
অভিনেতা ছাড়া তিনি একজন খুব ভালো প্রযোজকও। দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন। তবে এখানেই শেষ না তিনি একজন ভালো গায়ক এবং টেলিভিশন উপস্থাপকও। তার অভিনয়ে আত্মবিশ্বাস ব্যক্তিত্ব সকলের হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়।

বিং হিউম্যান
অভিনয় ছাড়াও তিনি তার ভক্তদের কাছে আলাদা জায়গা তৈরি করেছেন। কারণ তিনি উদার ব্যক্তিত্বের মানুষ। তার বন্ধুদের তিনি অনেক দামি দামি গিফট দিয়ে সকলের নজরে থাকেন। বলিউডের সবথেকে প্রশংসিত শক্তিশালী ব্যক্তি হলেন তিনি। এনজিও বিং হিউম্যান সম্প্রদায়ের কাছে খুব জনপ্রিয়। তিনি অনেক সাধারণ মানুষকে সাহায্য করে জনপ্রিয়তা শিখরে পৌঁছেছেন।

বিয়ে করেননি অভিনেতা
তবে এই বলিউড অভিনেতা আজ পর্যন্ত বিয়ে করেননি। শোনা যায় তিনি প্রেম জীবন তার ব্যর্থ ছিল। অনেক সম্পর্কে জড়ালেও তিনি কোনটাই ক্ষণস্থায়ী হয়নি। তাই তিনি এখন পর্যন্ত বিয়ে করেননি। শোনা যায় তিনি সঙ্গীতা বিজলানি ও সোমি আলী নামে অভিনেত্রীদের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। ১৯৯৯ সালে ঐশ্বরিয়া রায়ের সঙ্গে তার সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তবুও শেষ পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। হাম দিল দে চুকে সানাম এর পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।শোনা যায় সলমন এবং ঐশ্বরিয়া দুজনের সম্পর্ক দেখেই অনেকে সে সময় হিংসা করতেন। তবে সালমানের হিংসাত্মক আচরণ এবং তিনি প্রচণ্ড পরিমাণে অ্যালকোহল সেবন করতেন সেই কারণেই অভিনেত্রী তার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে বাধ্য হয়েছিলেন বলেই জানা গিয়েছে।

লেখক হতে চেয়েছিলেন অভিনেতা
তাছাড়াও শোনা যায়, অভিনেতা অনেক সঙ্গীত শিল্পী এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কেরিয়ারকে নষ্ট করেছেন। তিনি তবুও অনেক অভিনেতাদের তিনি বা তার বন্ধুদের অনেক ব্যয়বহুল উপহার তিনি দিয়ে থাকেন। অভিনেতা সলমন খান তিনি কিন্তু একজন লেখক হতে চেয়েছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে তিনি অভিনয়ের কেরিয়ারে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন। তবে তার মনের আশা ছিল লেখালেখি করার।

সাবান সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন
সাবান তিনি খুব পছন্দ করতেন। অভিনেতার সাবান নিয়ে অদ্ভুত পাগলামি রয়েছে। সাবান সংগ্রহ করা অভিনেতার এক নেশা। অভিনেতার স্নানশালায় এতই সাবান রয়েছে যা দেখলে অবাক হয়ে যাবেন আপনিও।

কী খেতে পছন্দ করেন অভিনেতা
অভিনেতা খেতে খুব ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রিয় খাবার চাইনিজ খাবার। চাইনিজ খাবারের জন্য তিনি সবসময়ই ছুটে যান মুম্বাইয়ের চায়না টাউনে। এটাই তার কাছে সবচেয়ে পছন্দের রেস্টুরেন্ট।

কোন সিনেমা দেখেনে না অভিনেতা
তবে শোনা যায় বলিউডের ভাইজান কখনোই নাকি ক্যাটরিনা কাইফের কোন সিনেমা দেখেন না। কিন্তু কেন দেখেন না সে বিষয়ে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

৬ মাস বেকার ছিলেন তিনি
বলিউডের ভাইজান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইন্দোরে। ম্যায়নে পেয়ার কিয়া সিনেমাটির মুক্তির পর ৬ মাস তিনি বেকার ছিলেন। তবে এই সিনেমাটি কিন্তু একসময় ছিল তার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। যদিও তারপর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ তিনি বলিউড ইন্ডাস্ট্রির একজন।

ভালো সাঁতারু ছিল সলমন
অভিনেতা ছোটবেলা থেকেই একজন ভালো সাঁতারু ছিলেন। তবে তিনি পেশাদার সাঁতারু হতে পারতেন। যদি তিনি সেটাকে তার কেরিয়ার হিসাবে বেছে নিতেন।
যখন অভিনেতা থাকার সময় পান তখন তিনি পেন্টিং করেন। কারণ তার হাতের আঁকা খুব সুন্দর। তাছাড়াও তিনি ফটোগ্রাফি, সাঁতার কাটা, গান গাওয়া, স্ক্রিপ্ট লেখা এগুলি তিনি খুবই পছন্দ করেন।

অভিনেতার প্রিয় নায়ক কে
লন্ডনের মাদাম তুসো মিউজিয়ামে অভিনেতার একটি মোমের মূর্তি স্থাপন করা আছে। যা দেখার জন্য দূর বিদেশ থেকেও লোকেরা এখানে আসেন। সলমনের প্রিয় অভিনেত্রী হেমা মালিনী। তার প্রিয় অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোন।

সিনেমার রিভিউ পড়েন না
বলিউডের ভাইজান কখনোই কোন সিনেমার রিভিউ পড়েন না। কারণ অভিনেতাকে কোন সিনেমার রিভিউ প্রভাবিত করতে পারে না। সেটি ফ্লপ হোক বা হিট।












Click it and Unblock the Notifications