পা ফুলে ঢোল, শরীরে যন্ত্রণা! তবুও কোন ‘ঐশ্বরিক’ শক্তির জোরে সেই ভয়ঙ্কর ক্লাইম্যাক্স ফুটিয়ে তুলেছিলেন ঋষভ?
তিন বছর আগে মুক্তি পেয়েছিলো 'কান্তারা'র প্রথম ভাগ। অল্প বাজেটের ছবি হয়েও আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল বক্স অফিসে। ঠিক একইভাবে এই ছবির প্রিক্যুয়েল নিয়েও উত্তেজনার কোনো শেষ ছিল না। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরেও দর্শকদের মন একটুও হতাশ করেনি 'কান্তারা:আলেজেন্ড-চ্যাপ্টার ওয়ান'। প্রশংসাতে ভরে গিয়েছে ঋষভ শেট্টির এই ছবি। ছবির ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শকরা। কোনও এক অজানা ঐশ্বরিক শক্তির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন অভিনেতা। জানালেন কন্নড় অভিনেতা ঋষভ শেট্টী।
শক্তিহীন শরীর, ফুলে ওটা পা নিয়ে ক্লাইম্যাক্সের দৃশ্যের লড়াই করা কখনোই সম্ভব ছিল না। শরীরের এই হাল হওয়ার পরেও থামেননি তিনি। সম্প্রতি নিজের সেই ফোলা পায়ের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়ে ঋষভ লিখেছেন, ''ক্লাইম্যাক্স-এর দৃশ্যটি শুট করার সময় আমার পা ফুলে গিয়েছিল, সারা শরীরে কোনও শক্তি ছিল না। তবুও কাজ থামাইনি, কারণ এই দৃশ্যটাই ছিল পুরো সিনেমার প্রাণ।" তিনি আরও লিখেছেন, "সেই সময় আমার শরীরের প্রত্যেকটা অংশ ব্যথা ছিল। কিন্তু ঈশ্বরের আশীর্বাদ ও লক্ষ লক্ষ দর্শকের ভালবাসাই আমাকে শক্তি দিয়েছিল। ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে এই অভিনয় সফলভাবে সম্ভব হত না। সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।"

এক ভক্ত লিখেছেন, "এরকম ক্লাইম্যাক্সের জন্য কেউই প্রস্তুত ছিল না, অসাধারণ কাজ করেছেন আপনি।" আরেকজন বলেছেন , "ছবিটা আমি দু'বার দেখেছি। আপনার পরিশ্রম ও নিবেদনই ছবিটিকে অসাধারণ একটি রূপ দিয়েছে।"
২ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে এই ছবির প্রিক্যুয়েল 'কান্তারা: চ্যাপটার ১'। মূলত মোট পাঁচটি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে 'কান্তারা:আলেজেন্ড-চ্যাপ্টার ওয়ান'। সেগুলি হলো তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম ও হিন্দি। একই সাথে মুক্তি পেয়েছে বরুণ ধবন ও জাহ্নবী কপূর-এর অভিনীত 'সনী সংস্কারী কি তুলসী কুমারী'। তবে বক্স অফিস জুড়ে শুধুই 'কান্তারা ১'-এর জয়জয়কার। পরিচালকের সাথে সাথে অভিনেতা ঋষভ শেট্টীকে নিয়েও চর্চা হয়েছে প্রচুর। তিন বছরের বিরতির পরেও ঠিক আগের মতোই সাড়া পেলেন তিনি দর্শকের থেকে।












Click it and Unblock the Notifications