রিভিউ: সাহসী দৃশ্য ছাড়াও অনেক কিছু দেখার রয়েছে হেট স্টোরি ২-এ

প্রতিহিংসা, বদলা এই ধরণের বিষয়গুলি নিয়ে আজ পর্যন্ত কম ছবি তৈরি হয়নি বলিউডে। তবে আক্ষরিক অর্থেই হেট স্টোরি ২ মশলাদারে রোমান্য় এবং খামখেয়ালি বর্বরতা-নৃশংসতার মিশেলে তৈরি অন্য স্বাদের ছবি। বা বলা ভাল পরিচালক নয়া মোড়কে পুরনো গল্প যেভাবে পেশ করেছেন তা প্রশংসার যোগ্য।
ছবির পটভূমি
একে অপরের গভীর প্রেমে আবদ্ধ সুরভিন ও জয়। দুজনের গভীর ভালবাসার প্রতিচ্ছবি হিসাবে ছবির প্রথম ভাগে বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। কিন্তু সুশান্ত সিংয়ের প্রবেশ হতেই ছবি পুরোপুরি অন্য পথ ধরে।
এই ছবিতে প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুশান্ত সিং। অতএর বোঝাই যাচ্ছে এই ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুশান্ত। সুরভিনের উপর চোখ যায় সুশান্তের। নিজের জীবনে যেন তেন প্রকারে সুরভিনকে চাই সুশান্তের। এদিকে সুরভিনের জীবনে জয়ের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। জয়কে ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতে পারে না সুরভিন। কিন্তু সুরভিনকে পেতে গেলে জয়কে পথ থেকে সরাতে হবে। তাই সুরভিনের চোখের সামনেই জয়কে নৃশংসভাবে খুন করে সুশান্তের দল। সুরভিনের উপরেও চালানো হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এরপর আহত সুরভিনেকে আধরমরা অবস্থায় ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় গুণ্ডাবাহিনী।
ছবির দ্বিতীয়ভাগে সুরভিন আসে বদলা নিতে। কীভাবে সুরভিন বদলা নেওয়ার চেষ্টা করেন? আদৌ সাফল্য পায় কি না সে তা জানতে অবশ্য ছবিটা দেখতে হবে। কিন্তু এটুকু বলতে পারি, দ্বিতীয়ভাগে অনেক চমক রয়েছে।
চমকে দিলেন সুরভিন-জয়
শুধু শরীর দেখানো নয়, অভিনয়টা যে পারেন তা প্রমাণ করেছেন সুরভিন। বেশ কিছু দৃশ্যে বেশ সাবলীল সুরভিন। বদলা নিতে গিয়ে কীভাবে খুনের ফন্দি আঁটে সুরভিন তা কিন্তু বেশ দেখার মতো। এই ছবির আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুও বটে।
তবে সুরভিনের সাবলীল অভিনয়ও ছবির ত্রুটিগুলি ঢাকতে অসমর্থ হয়েছে। বেশ কিছু দৃশ্য আচমকা শুরু হয়েই যেন শেষ হয়ে গিয়েছে। কেন শুরু হল কেনই বা শেষ তার কোনও মাথামুণ্ডু খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এই ছবিতে জয়ের সেভাবে অভিনয় দেখানোর সুযোগ ছিল না। জয়কে যতটুকু অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা তিনি সফলভাবেই করেছেন। টেলিভিশন দুনিয়ায় জনপ্রিয় নাম ছিলেন সুরভিন ও জয় দুজনেই। দুজনেরই প্রথম ছবি। প্রথম ছবিতে হতাশ যে তাঁরা করেননি তা জোর গলায় বলা যেতে পারে। নেতিবাচক চরিত্রে বেশ মানিয়েছে সুশান্তকে। যদিও এর আগেও বহুবারই এধরণের চরিত্রে দেখা গিয়েছে সুশান্তকে।
গানে মন জয় হল কি?
ভাল চিত্রনাট্যের পাশাপাশি, এছবির গানও ভাল লেগেছে। তবে এছবির গান শ্রুতিমধুর হলেও মনে দাগ কাটে না দীর্ঘক্ষণ। অরিজিত সিং এবং সমীরা কোপিকারের গাওয়া 'আজ ফির তুম' উল্লেখযোগ্য। সানি লিওনির আইটেম নম্বর 'পিঙ্ক লিপস' যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে ছবিতে। একটা সময়ের পরে গানটা বেশ কর্কশ মনে হয়েছে।
-
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী











Click it and Unblock the Notifications