হৃতিক- কঙ্গনা বিতর্কে মুখ খুললেন ফারহান আখতার, কার পাশে দাঁড়ালেন তিনি
হৃতিক- কঙ্গনা বিতর্কে এবার মুখ খুললেন ফারহান আখতার ফেসবুকে একটি খোলা চিঠিতে তিনি ছোটবেলার বন্ধু হৃতিকের পাশেই দাঁড়িয়েছেন
হৃতিক- কঙ্গনা বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেতা ও পরিচালক ফারহান আখতার। ফেসবুকে একটি খোলা চিঠিতে তিনি ছোটবেলার বন্ধু হৃতিকের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। সেইসঙ্গে কঙ্গনার অভিযোগকেও মিথ্যে বলেই দাবি করেছেন ফারহান। অবশ্য গোটা চিঠিতে তিনি হৃতিক বা কঙ্গনা কারওরই নাম করেননি।

কঙ্গনার একের পর এক বিষোদগারের পরেও নীরবই ছিলেন হৃতিক রোশন। কিন্তু সম্প্রতি তিনিও মুখ খুলেছেন কঙ্গনার অভিযোগের বিরুদ্ধে। এই বিতর্কে প্রাক্তন স্ত্রী সুজান সহ অনেককেই পাশে পেয়েছেন হৃতিক। এবার তিনি পাশে পেলেন বাল্যবন্ধু ফারহান আখতারকেও। রবিবার হৃতিক- কঙ্গনা বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ফারহান। ফেসবুকে একটি খোলা চিঠির ছত্রে ছত্রে তিনি বুঝিয়ে দিলেন কঙ্গনা মিথ্যে কথা বলছেন।
চিঠিতে কারও নাম না করে বেশ কয়েকটি প্রশ্নও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, কে সত্যি বলছে আর কে মিথ্যে বলছে তা প্রমাণ করার কাজ তদন্তকারীদের। কিন্তু হৃতিক যখন তদন্তের জন্য নিজের ল্যাপটপ ও ফোন তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন, কঙ্গনা কিন্তু তা করেননি, বরং এড়িয়ে গিয়েছেন। কঙ্গনার দাবি, তাঁর ও হৃতিকের সাত বছরের সম্পর্ক ছিল। তারপরেও কঙ্গনা অভিযোগ করেছেন, হৃতিক নাকি তাঁর ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিজেই কঙ্গনার নাম করে কয়েক হাজার ইমেল করেছেন। ফারহানের প্রশ্ন, যদি সত্যিই তাঁদের মধ্য়ে কোনও সম্পর্ক থাকত তাহলে এভাবে ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার কি কোনও প্রয়োজন রয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, হৃতিকের সঙ্গে একটি ছবি দেখিয়ে কঙ্গনার দাবি, এই ছবিই সব কথা বলে দেবে। এই ছবিতেও কারচুপি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফারহান আখতার। তাঁর দাবি, ওই ছবিতে শুধু কঙ্গনা নয়, হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী সুজান সহ আরও কয়েকজন রয়েছে। ওই ছবি থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেন বাকিদের ছেঁটে ফেলা হয়েছে সেই প্রশ্নও তুলেছেন ফারহান।
কঙ্গনার দাবি, প্যারিসে তাঁদের গোপনে বিয়ে হয়েছে, কিন্তু সেই দাবির সমর্থনে কোনও নথি বা সাক্ষী তিনি পেশ করতে পারেননি। যে সময়ের কথা কঙ্গনা বলেছেন, ওই সময়ে হৃতিকের পাসপোর্টে ফ্রান্সের কোনও স্টাম্পও নেই বলে দাবি করেছেন ফারহান।
সবশেষে ফারহানের বক্তব্য, আসল সত্যি কেউই জানে না। কিন্তু গোটা বিষয়ে শুধুমাত্র মহিলা বলে একজনকে বাড়তি সুবিধে করে দেওয়াও একেবারেই উচিত নয়। যেটা দরকার তা হল, গোটা বিষয়টাকে কোনও একজনের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে না দেখা।












Click it and Unblock the Notifications