পরিচালক তরুণ মজুদার অসুস্থ, ভর্তি হলেন সরকারি হাসপাতালে
পরিচালক তরুণ মজুদার অসুস্থ, ভর্তি হলেন সরকারি হাসপাতালে
কিংবদন্তী পরিচালক তরুণ মজুমদার অসুস্থ। শারীরিক অসুস্থতা SSKM কে ভর্তি হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে পরিচালকের। কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি বলেই জানা গিয়েছে। বাংলার শিল্পীমহল থেকে ভক্তরা তাঁর জন্য আরোগ্য কামনা করছেন।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তিনি। বর্তমানে তাঁর বয়স ৯২ বছর। কিডনি ছাড়াও তাঁর ফুসফুসের সমস্যা রয়েছে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিসের রোগীও। অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসা করছেন।
পরিচালক সাতটি BFGA ও পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৯০ সালে তাঁকে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করেছিলেন। ১৯৫৯ সালে উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেনের সঙ্গে 'চাওয়া পাওয়া' ছবিতে অভিনয় করেছিলেন পরিচালক তরুণ মজুমদারও। তারপর ১৯৬০ সালে বানালেন 'স্মৃতি টুকু থাক'। ১৯৬২ সালে কাচের স্বর্গ বানিয়েছিলেন তিনি। আর এই সুন্দর ছবির এই তিনি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন।
তাছাড়া তিনি অনেক সিনেমার পরিচালনা করেছিলেন। সেগুলি হল- পলাতক (১৯৬৩), নিমন্ত্রণ (১৯৭১), সংসার সীমান্তে (১৯৭৫), গণদেবতা (১৯৭৮) ছবিগুলিও প্রভূত প্রশংসা পেয়েছে। এছাড়াও বালিকা বধূ (১৯৬৭), কুহেলি (১৯৭১), শ্রীমান পৃথ্বীরাজ (১৯৭৩), ফুলেশ্বরী (১৯৭৪), দাদার কীর্তি (১৯৮০), ভালোবাসা ভালোবাসা (১৯৮৫), আপন আমার আপন (১৯৯০) ইত্যাদি।
পরিচালক তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যা রায়ের সঙ্গেও কুড়িটি ছবি তৈরি করেছিলেন। করোনা, লকডাউনের সময় বই ও চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, এখন আমি লেখা ও পড়াশোনা নিয়েই আছি। তবে, পুজো সংখ্যা কিছু বেরোবে কিনা তা এখনও জানি না। কিন্তু, লেখার অভ্যাসকে তো বাঁচিয়ে রাখতে হবে! তাই নতুন কিছু লেখার চেষ্টা করে যাছি।' এই সাক্ষাৎকারটি ২০২০ সালের। ২০২১ সালের পয়লা জানুয়ারি 'Cinemapara Diye’ বইটি প্রকাশিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications