ছপাক ছবিতে শুটিং করার সময় দীপিকার আট বছর আগেকার হতাশা ফিরে এসেছিল
‘ছপাক’ ছবিতে শুটিং করার সময় দীপিকার আট বছর আগেকার হতাশা ফিরে এসেছিল
অনেক ছবিতেই অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু দীপিকা পাড়ুকোনের কাছে 'ছপাক’–এর অভিজ্ঞতা একেবারে অন্যরকম। তাঁর ফিল্মি কেরিয়ারে এটা একেবারেঅ আবেগে ভরা ছবি। মামি চলচ্চিত্র উৎসবে এসে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, নিজেকে অ্যাসিড আক্রান্তের ভূমিকায় অবতীর্ণ করতে তাঁর প্রস্থেটিক মেক–আপের একটি টুকরো পোড়াতে হয়েছিল এবং শুটিং চলাকালীন তাঁর আট বছরের আগের হতাশা ফিরে এসেছিল।

দীপিকা বলেন, 'ছবির সেটে আমাকে আমার কাউন্সেলারকে সবসময় সঙ্গে রাখতে হয়েছিল। শুটিং চলাকালীন আমি আমার মধ্যে ছিলাম না। আমি এটা অনুভব করতে শুরু করি যে বহুদিন ধরে এই ছবির শুটিং চলছে। তখন আমার কুব খারাপ লাগতে শুরু করে এবং আমি ক্লসট্রোফোবিয়াতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। সংবেদনশীলভাবে এটা আমার কাছে খুব কঠিন ছিল। সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে এখনও কেমন হতাশ হয়ে পড়ি আমি।’ দীপিকা সবসময়ই মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বলেন এবং তাঁর অবসাদ হয়ে যাওয়ার কথাও সকলের সামনে তুলে ধরেন।
দীপিকা আরও জানিয়েছেন যে 'ছপাক’–এর জন্য যখন তিনি নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন তখন তাঁর ছবিতে ফাইনাল লুকস টেস্ট ছিল। তারপরই তাঁর রণবীরের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে যায়। দীপিকা বলেন, 'প্রাথমিকভাবে এটা খুবই প্রযুক্তিগত বিষয় ছিল এবং এটার সঙ্গে কোনও আবেগ জড়িত ছিল না। যত শীঘ্র সম্ভব আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে এই ছবিটি করব, আমরা তৎক্ষণাত প্রস্থেটিক্সের প্রস্তুতি শুরু করে দিই, কারণ আমার বিয়ে ছিল সামনে এবং আমায় এরপর আর পাওয়া যেত না। আমাদের একগুচ্ছ লুক টেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ওইদিন আমি মেঘনাকে বলেছিলাম যে আমি আমার মতো দেখতে চাই। মেঘনা জানায় এটাই তো ছবি।’ এই ছবিতে দীপিকার একটি সংলাপে বলবেন, 'ওরা আমার মুখটা বদলেছে, আমার মন নয়।’ ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি এই ছবিটি মুক্তি পাবে।












Click it and Unblock the Notifications