বলিউডের এই তারকাদের বিয়ে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য স্থায়ী হয়েছে! নেপথ্যের কারণ নিয়ে চলেছে নানা গুঞ্জন
বলিউডের এই তারকাদের বিয়ে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য স্থায়ী হয়েছে! নেপথ্যের কারণ নিয়ে চলেছে নানা গুঞ্জন
মণীষা কৈরালা থেকে শুরু করে পুলকিত সম্রাটের মতো একাধিক বলিউড তারকা অমন রয়েছেন যাঁরা বলিউডে পা রেখে কার্যত অভিনয় দক্ষতায় যেমন তাক লাগিয়েছেন, তেমনই আবার লাইমলাইটের প্রবল আলোর চোখ ধাঁধানির মাঝে হারিয়েও গিয়েছেন। তবে বহুবার তাঁদের বিয়ের খবর আলাদা করে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনকে ফোকাসে আনে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন তারকার বিয়ের অল্প মেয়াদ নিয়ে গুঞ্জন কোনদিকে গিয়েছে।

মণীষা কৈরালা
২০১০ সালে মণীষা কৈরালার সঙ্গে বিয়ে হয় সম্রাট দাহালের। মূলত বলিউডের সুন্দরী তন্বী অভিনেত্রী মণীষা কৈরালা নেপালের মেয়ে। সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা মণীষা। যিনি বলিউডে পা রেখে শুধু বাবার পরিচয়ে নয়, নিজের একক অভিনয় দক্ষতায় জয় করে নিয়েছেন জনপ্রিয়তা। মণীষার সঙ্গে নেপালের ঘরানা ও রীতি মেনে বিয়ে হয় সম্রাটের। তবে বিয়ের মেয়াদ ছিল, ২ বছর। ২০১২ সালে তাঁরা বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যান। শোনা যায়, সম্রাদের রাগ ও জেদের বশে বিবাহিত জীবনে মোটেও সুখে ছিলেন না মণীষা। তাই সেই জায়গা থেকেই বিচ্ছেদ।

পুলকিত সম্রাট
২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে বিয়ে সম্পন্ন হয় পুলকিত সম্রাট শ্বেতা রোহিরার। শ্বেতা সম্পর্কে সলমন খানের রাখী সিস্টার। ফলে খান পরিবারের সঙ্গে শ্বেতার হাত ধরে সম্রাটের বেশ যোগাযোগ বাড়ে। ওদিকে বিয়ের আগে বহুদিন ধরেই দুজনে ডেটিং করছিলেন। তারপর বিয়ের ঠিক ১১ মাসের মধ্যেই সম্পর্কে নামে ছেদ। বলিউডের গুঞ্জন বলছে, পুলকিতের সঙ্গে সেই সময়ে সহ অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ঘনিষ্ঠতা ঘিরেই সমস্যা দানা বাঁধে।

করণ সিং গ্রোভার
বিপাশা বসুর সঙ্গে করণ সিং গ্রোভারের বিয়ের আগে শ্রদ্ধা ও জেনিফারকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা করণ। ফিল্মে আসার আগে , শ্রদ্ধা নিগম ছিলেন আইটি কর্মী। করণও তাই ছিলেন। তারপর তাঁদের বলিউডে পা রাখা। এদিকে, বলিউডে পা রেখেই দুজনের মধ্যে বিচ্ছেদ শুরু হয়। ২০০৮ সালে বিয়ের পর ১০ মাস যেতে না যেতেই তাঁরা ডিভোর্সের পথে এগিয়ে যান। করণের সঙ্গে বহু মহিলার সম্পর্কের জেরে সমস্যা বলে জানান দেয় গুঞ্জন।

মন্দানা করিমি
অভিনেত্রী মন্দনা করিমির সঙ্গে ২০১৭ সালে বিয়ে হয় গৌরব গুপ্তর। ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি সেই বিয়ে সম্পন্ন হতেই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি দেখা যায় মন্দনার। তবে পরে গুঞ্জনে শোনা যায় , মন্দনা করিমির শ্বশুরালয় সেভাবে পছন্দ করেননি তাঁর অভিনয়ের পেশা। আর সেই থেকেই বিচ্ছেদ বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications