তকমা নয়, চরিত্রটাই আসল, কেন এমন কথা বলছেন অনুষ্কা
বলিউডে রয়েছেন অনেক দিন। কম করে একদশক। এখন একটা 'তকমা' তিনি পেতেই পারেন। যেমনটা পেয়েছেন তাঁর সহশিল্পী শাহরুখ-সলমনরা। আজকাল অবশ্য তারকাখ্যাতি সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে। চাইলেই একটা তকমা জুটে যায়
বলিউডে রয়েছেন অনেক দিন। কম করে একদশক। এখন একটা 'তকমা' তিনি পেতেই পারেন। যেমনটা পেয়েছেন তাঁর সহশিল্পী শাহরুখ-সলমনরা। আজকাল অবশ্য তারকাখ্যাতি সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে। চাইলেই একটা তকমা জুটে যায়। কিন্তু অমন তকমা তিনি চান না।
অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজেকে কোনও সীমাবদ্ধ খাঁচায় পুরে রাখতে চাননি অনুষ্কা। বরং প্রতিনিয়ত নতুন সব চরিত্রে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন নিজেকে। করেছেনও তা-ই। পেয়েছেন দর্শকদের ভালবাসা। এটাই তাঁর কাছে সব থেকে কাঙ্খিত। তাঁর সহশিল্পী শাহরুখ যেভাবে 'রোমান্স রাজা' খেতাব পেয়েছেন, অমিতাভ পেয়েছেন 'অ্যাংরি ইয়ং ম্যান' খেতাব তেমনটি তিনি চান না।

যদিও তারকা খ্যাতির মানে বদলে গিয়েছে। খ্যাতি ও 'ট্যাগ' এখন সহজলোভ্য। তিনি বলেছেন, 'অমিতজি ও শাহরুখদের সময়ে তারকাখ্য়াতি ছিল অন্য রকম ব্যাপার। এখন দর্শকদের ভালবাসাটুকুই সব থেকে কাঙ্খিত। তাঁর কোনও তকমার প্রয়োজন নেই। অমন তকমা পাওয়ার মতো কাজ তিনি এখনও করেননি।
রব নে বানা দে জোড়ি, যাব তাক হ্যায় জান, পিকে, সুলতানের মতো ছবিগুলো করার সময় মোটেই উদ্বিগ্ন ছিলেন না অনুষ্কা। কেননা তিনি কার সঙ্গে অভিনয় করছেন, সেটি তাঁর কাছে বিবেচ্য ছিল না। মাথায় ছিল কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন। এমনকি ফিল্লৌরি ও এনএইচ টেন-এর মতো ব্যতিক্রমী ধারার ছবি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। বেশ কয়েকজন নামী পরিচালকের সঙ্গে কাজের ফল হয়েছে। এই অভিজ্ঞতার ঝুলি বড় হয়েছে। তিনি মনে করেন, একজন পরিচালকই পারেন চলচ্চিত্র অভিনেতার চরিত্রকে বৈচিত্রপূর্ণ করতে। এই অভিনেত্রীকে শেষ দেখা গিয়েছিল 'যাব হ্যারি মেট সেজাল' ছবিতে।












Click it and Unblock the Notifications