ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিত্র পরিচালক অঞ্জন দাসের জীবনাবসান

বয়স খুব বেশি হয়নি অঞ্জনবাবুর। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে বয়স ৬১ বছর। যকৃতের ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি।
২০০৬ সালে অঞ্জন দাস পরিচালিত এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও ইন্দ্রানী হালদার অভিনীত 'ফাল্তু' ছবিটি জাতীয় পুরস্কার পায়। বিখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক সৈয়দ মোস্তাফা সিরাজের লেখা রানীর ঘাটের বৃত্তান্ত গল্প অবলম্বনে ছবিটি তৈরি। অঞ্জনবাবুর অধিকাংশ ছায়াছবিই সাহিত্যের গল্প নিয়ে তৈরি করা।
২০০১ সালে সাঁঝবাতির রূপকথা ছবির জন্যও বহুল প্রশংসা পান অঞ্জনবাবু। কবি জয় গোস্বামীর প্রথম উপন্যাসের আন্তঃকরণে তৈরি হয়েছিল এই ছায়াছবিটি। লন্ডন, রোম, সিঙ্গাপুর, মাদ্রিদের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখানো হয় এই ছবিটি।
২০০৪ সালে সেরা শ্রাব্য বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পায় অঞ্জন বাবুর আর একটি ছবি 'ইতি শ্রীকান্ত'। জয় গোস্বামীর পদ্যর ভিত্তিতে যাঁরা বৃষ্টিতে ভিজেছিল ছবিটিও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়োতে সমর্থ হয়। এই ছবির জন্য কাজাখিস্তানে বিশেষ পরিচালকের পুরস্কার পান অঞ্জনবাবু। এছাড়াও স্পেনে বিচারকদের বিচারে পরিচালকের পুরস্কার পান তিনি।
২০১০ সালে অচীন পাখি কায়রো চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়। ছায়াছবির জগতে ফেরার আগে তথ্যমূলক ছবির দিকেই এগিয়েছিলেন অঞ্জনবাবু। বলা যায় প্রথম অঞ্জনবাবুই টলি-বলির শিল্পীদের একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই প্রখ্যাত চিত্রপরিচালকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া বাংলার চলচ্চিত্র মহলে।












Click it and Unblock the Notifications