মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করে 'বন্ধু' বলিউড পরিচালকের মায়ের অন্ত্যেষ্টিতে উপস্থিত রইলেন অক্ষয়
মাতৃ হারা হওয়ার যন্ত্রণা তিলে তিলে ততক্ষণে বিঁধেছে অক্ষয়কে। মায়ের প্রবল অসুস্থতার খবর পেয়েই তিনি লন্ডন থেকে শ্যুটিং ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। উড়ে আসেন দেশে। ততক্ষণে হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি অক্ষয়ের মা অরুণা ভাটিয়ে। তবে যাবতীয় লড়াই শেষ করেই এদিন অক্ষয়ের মা অরুণা ভাটিয়ার জীবনাবসান হয়। এদিকে বলিউডের এই তাবড় স্টার যখন মাতৃবিয়োগে প্রবলভাবে বিধ্বস্ত,তখনই জানা যায়, বলিউডের আরও এক স্বনামধন্য পরিচালক আনন্দ এল রাইও এদিন হারিয়েছেন তাঁর মাকে।

এদিন টুইটারে অক্ষয় লেখেন তাঁর মনের যন্ত্রণার কথা। মায়ের কতটা কাছে তিনি ছিলেন তার কথা লেখার পরতে পরতে উঠে আসে। টুইটার বার্তায় অক্ষয় লেখেন, তিনি নিজের বেদনার কথা। এদিকে, মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেই , অক্ষয় বন্ধু তথা বলিউড পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন। বন্ধুর খারাপ দিনে উপস্থিত থাকেন তাঁর পাশে। হাজির হন আনন্দ এল রাইয়েক মায়ের অন্ত্যেষ্টিতে। কথায় আছে- রাজদ্বারে , শশ্মানে যিনি পাশে থাকেন , তিনিই প্রকৃত বন্ধু। আর এদিন বিখ্যাত এই উক্তিকে কার্যত বাস্তবের মাটিতে প্রমাণ করে দেখালেন অক্ষয়। অক্ষয়ের এই মানবিক দিকের গতিবিধি কার্যত তাঁর ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়। বন্ধু আনন্দের বিপদের দিনে, তাঁর মাতৃবিয়োগের মতো ঘটনার দিনে নিজে যখন অক্ষয় মাতৃবিয়োগের যন্ত্রণায় ভুগছেন , তখন নিজের কষ্টকে সরিয়ে বন্ধুর ক্ষতে সুশ্রুষা করার যে রাস্তা আজ অক্ষয় দেখিয়েছেন , তা সকলেরই নজর কেড়েছে।
মা অরুণার সঙ্গে আনন্দ এল রাইয়ের সম্পর্ক এক অদ্ভুত ভঙ্গিতে মিশে যায় কোথাও অক্ষয়ের জীবনে! উল্লেখ্য,পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের ফিল্ম 'রক্ষা বন্ধন'-এ অভিনয় করতে চলেছেন অক্ষয়। আর সেই ছবিতে অভিনয়ের সময়, একবার অক্ষয় বলেছিলেন যে, ছবিতে যেহেতু তাঁকে ছবির চরিত্রের টানে ৫ কেজি ওজন বাড়াতে হচ্ছে, তাই তিনি এবার আনন্দ করে মা অরুণা ভাটিয়ার হাতের রান্না খেতে পারবেন। আর মায়ের হাতের রান্না খেয়ে এবার মোটা হলে অসুবিধে নেই, বলে মশকরার ছলে বক্তব্য রাখেন অক্ষয়। সেই সময় অক্ষয় জানিয়েছিলেন যে, কোনও বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যদি তাঁকে ওজন কমাতে হয়, বা বাড়াতে হয়, তাহলে তা তিনি উপভোগ করেন। তবে এই কাজ তিনি স্বাস্থ্যকর উপায়ে করে থাকেন বলে জানান অক্ষয়। তবে মায়ের হাতের খাবার এবার এই ফিল্মের হাত ধরে তিনি খেতে পারবেন বলে বিশেষভাবে উৎসাহিত ছিলেন অক্ষয়। তিনি বলেছিলেন, এবার তাঁর কাছে মায়ের হাতের হালুয়া খাবার সুযোগ এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications