৪০০ কেজি-র সোনার গয়নায় সেজেছেন 'পদ্মাবত'-এর দীপিকা, জানেন ছবিতে তাঁর পোশাকের ওজন কত
ইতিহাসের পদ্মিনীর কাহিনি নিয়ে তৈরি সঞ্জয়লীলা বনশালীর ছবি 'পদ্মাবতী'-তে রাজপুতানার সেই পর্ব তুলে ধরতে বহু গবেষণা চালিয়েছে গোটা ফিল্মের ইউনিট। সেই গবেষণার একটা অংশ রানি পদ্মিনীর গয়না।
রাজস্থানের রাজপুতানার ইতিহাস যতটা শৌর্য আর রক্তপাতের মিশেলে লেখা , ততটাই তা উজ্জ্বল। ৫০০০ বছরের রাজপুতানার ইতিহাসের পরতে পরতে রয়েছে এক একটি অভূতপূর্ব গাথা। সেই ইতিহাসের একটা খণ্ড জুড়ে রয়েছে চিতোরের রাজা রতন সিং ও পদ্মিনীর কাহিনি।
['পদ্মাবত'-এ এই বিশেষ দৃশ্যে অভিনয়ের সময়ে কেন অস্বস্তি হয়েছিল দিপীকার, জানালেন]
কথিত আছে শ্রীলঙ্কার রাজকন্যা তথা রাজস্থানের চিতোরগড়ের রানি পদ্মিনীর রূপ সৌন্দর্যে মজেছিলেন বহু বীর সম্রাট। সেরকমই একজন আলাউদ্দিন খিলজিও। ইতিহাসের সেই কাহিনিকে সেলুলয়েডবন্দি করা যেমন কঠিন, তেমনই রানি পদ্মীনির সৌন্দর্যকেও ফুটিয়ে তোলা একটি চ্যালেঞ্জ। যে সৌন্দর্যের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে তাঁর গয়নার উজ্জ্বলতা। সঞ্জয়লীলা বনশালীর ছবি 'পদ্মাবত'-এ রাজপুতানার সেই পর্ব সাহিত্যের আঙ্গিকে তুলে ধরতে বহু গবেষণা চালিয়েছে গোটা ফিল্মের ইউনিট। সেই গবেষণার একটা অংশ রানি পদ্মিনীর গয়না। ফিল্মের শ্যুটিং এর জন্য এই গয়না বানাতেও পরিশ্রম কিছু কম করা হয়নি।

১৬০ কোটি টকার গয়না
গোটা ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোনকে দেখা গিয়েছে বহু ভারী গয়না পরতে এই গয়না প্রস্তুত করেছে দেশের অন্যতম প্রথম সারির গয়না প্রস্তুতকারী জুয়েলার্স তানিষ্ক। ছবির জন্য তৈরি মোট গয়নার খরচ ১৬০ কোটি টাকা।

৩০ কেজির লহেঙ্গা
এই ছবিতে দিপীকা পাড়ুকোনকে দেখা গিয়েছে বেশ আকর্ষণীয় কিছু লহেঙ্গা পড়তে। এই লহেঙ্গার ওজন ৩০ কেজি বলে এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন পরিচালক বনশালী। এর আগও ছবি 'রামলীলা'-তে ভারী পোশাক পড়তে দেখা গিয়েছে দীপিকাকে।

৪০০ কেজি সোনার গয়না
ছবি 'পদ্মাবত' -তে শুধু দিপীকা পাড়ুকোনের জন্য মোট ৪০০ কেজি সোনার গয়না তৈরি করা হয়। কাল বালা, গলাবন্ধ, টিকলি, নুপুর, নত থেকে শুরু করে তাঁর একার গয়নাই প্রায় ৪০০ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি।

অলঙ্কার তৈরিতে গবেষণা
রাজপুতানা ইতিহাসের কোনও যে কোনও চরিত্রের কাছেই অলঙ্কার একটা বড় দিক। তবে যেহেতু রানী পদ্মিনীর ছবি সেভাবে পাওয়া যায়নি, তাই তাঁর গয়নার ধাঁচ খুঁজে বার করতে বেশ কিছু গবেষণা করতে হয় জুয়েলরি ডিজাইনারদের।

২০০ জন স্বর্ণকার কাজ করেছেন
এই গয়না তৈরির প্রক্রিয়া বহুদিন সময় নিয়েছে। প্রায় ২০০ জন কর্মীর লাগাতার চেষ্টায় তৈরি হয়েছে এই সোনার গয়না। ৬০০ দিন ধরে চলেছে এই গয়না তৈরির কাজ।

রাজপুত গয়নার বৈশিষ্ট
রাজপুত গয়নাতে দেখা যায়, ঘোড়া কিম্বা হাতি, ময়ূরের আদলের নানা চিহ্ন। এই সমস্ত চিহ্নকে নানাভাবে ব্যবহার করা হয়েছে 'পদ্মাবতী' ছবির নানা গয়নাতে।

গয়নায় পাথরের ব্যবহার
রাজপুত ঘরানার গয়নায় মূলত পাথরকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার সঙ্গে গয়নার মধ্যে এক সময় মাহারাজ বা রানির ছবিও আঁকা হত। সেই ধরনের গয়নাও ছবি 'পদ্মাবত'-র জন্য তুলে এনেছে তানিষ্ক।












Click it and Unblock the Notifications