(ছবি) ১০ বলিউড সেলেবস যাঁরা ফেসবুক, টুইটারকে ঘৃণা করেন
আজকের দিনে জমিয়ে অভিনয় করে ক্ষান্ত থাকলেই হবে না। ইন্টারনেটে হোক বা যে কোনও গণজ্ঞাপন মাধ্যমে তা সমানতালে প্রমোশনও করে যেতে হবে।
সিনেমা হিট করানোর জন্য এখন গণমাধ্যম ও স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকী সেলেবসদের সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যমও এগুলিই।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম হোক বা টুইটার, প্রায় সব সেলেবসই কোনও না কোনওটায় হাজির থাকেন। কেউ মাঝে মাঝে এক আধটা টুইট করে নিজের নামটা ভক্তদের মনে ভাসিয়ে রাখেন। আবার কেউ কেউ এমন রয়েছেন যারা দিন-রাত টুইট করেন বা ফেসবুকে আপডেট দেন।
তবে এমন কিছু বলিউড সেলেবস রয়েছেন যারা ফেসবুক বা টুইটারে ধারেকাছে দিয়েও ঘেঁষেন না। এমনকী স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলির নাম শুনলেই একরাশ বিরক্তি ফুটে ওঠে তাঁদের চোখেমুখে। ফেসবুক, টুইটারকে রীতিমতো ঘেন্না করেন তাঁরা।

রণবীর কাপুর
রণবীর জেনারেশন এক্স-এর সদস্য হলেও তাঁর কোনও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট নেই।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চন
তাঁর ভক্তরা তাঁকে বলে বলে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়। তবে সে চেষ্টা বৃথা। সবসময়ই মিডিয়া হোক বা অন্যকিছু, নিজেকে প্রাইভেট রাখতেই ভালোবাসেন বচ্চন গিন্নি।

করিনা কাপুর
খুড়তুতো ভাই রণবীরের মতোই স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটে নাম লেখাননি করিনা।

আদিত্য চোপড়া
অত্যন্ত লাজুক আদিত্য় চোপড়ার কোনও স্যোশাল নেটওয়ার্কিং অ্যাকাউন্ট নেই।

সঞ্জয় লীলা বনশালী
বলিউডের অন্যতম গুণী নির্দেশকও নিজেকে ফেসবুক বা টুইটার থেকে সরিয়ে রেখেছেন।

সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা
হাইওয়ে, ২ স্টেটস, কিকের মতো সিনেমায় নির্দেশনা করবেন না ফেসবুক , টুইটারে মুখ গুজে থাকবেন। ফলে অ্যাকাউন্ট নেই সাজিদেরও।

বিদ্যা বালন
পর্দায় তিনি যতোটা হট, ঠিক ততোটাই ব্যক্তিগত জীবনে সহজ থাকতে ভালোবাসেন বিদ্যা।

কঙ্গনা রানাউত
'কুইন' কঙ্গনা একের পর এক হিট সিনেমায় অভিনয় করলেও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্টের করা 'পিআর'-এ বিশ্বাস করেন না।

ইমরান খান
কাকা আমির ফেসবুক বা টুইটারে লাম লেখালেও ভাগনে ইমরানের সেসবে অ্যাকাউন্ট নেই।

রানি মুখার্জী
সিনেমা, ফেসবুক বা টুইটার, সবকিছু থেকেই নিজেকে সরিয়ে রেখে জমিয়ে সংসার করছেন রানি।












Click it and Unblock the Notifications