(ছবি) অকালে প্রাণ হারিয়েছেন যে জনপ্রিয় অভিনেত্রীরা
বলিউড বা টিভিতে মুখ দেখিয়ে বহু মানুষ যেমন খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছন, তেমনই এই খ্যাতির আলোই তাদের জীবনে অন্ধকার নিয়ে আসে। নানা কারণে জীবন নিয়ে নেয় এই খ্যাতি। গ্ল্যামার আর লাইম লাইটের আলোয় থাকতে থাকতেই বহু মানুষ রয়েছেন যারা বিদায় নিয়েছেন পৃথিবী থেকে।
কারও ক্ষেত্রে আত্মহত্যা, কারও ক্ষেত্রে হত্যার অভিযোগ, কোনও বলিউড বা টেলি তারকা আবার ভাগ্যের হাতে নিজের প্রাণ খুইয়েছেন। বলিউডে মারলিন মনরো থেকে এলভিস প্রেসলি- অনেকেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। শুক্রবার জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী প্রত্যুষা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর ফের একবার মাথাচাড়া দিয়েছে সেই প্রসঙ্গ। একবার দেখে নেওয়া যাক কোন কোন তারকা অকালে নিজের প্রাণ হারিয়েছেন।

জিয়া খান
গজনী খ্যাত জিয়া খানকে (২৫ বছর) ২০১৩ সালের ৩ জুন নিজের মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেই ঘটনায় মামলা এখনও চলছে।

বিবেকা বাবাজী
মরিশাস থেকে আসা এই মডেল তথা অভিনেত্রী কয়েকটি সিনেমা করে সকলের নজরে আসেন। তবে ২০১০ সালে বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্য়াটে আত্মহত্যা করে বিবেকা। অবসাদই এর কারণ ছিল বলে জানা গিয়েছিল।

সিল্ক স্মিতা
দক্ষিণের তেলুগু অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা ১৯৯৬ সালে নিজের বেডরুমে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

দিব্যা ভারতী
নব্বইয়ের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিব্যা ভারতী ১৯৯৩ সালের ৫ এপ্রিল নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নিচে পড়ে মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা আজও জানা যায়নি।

শিখা যোশী
বলিউড সিনেমা বিএ পাশ-এ অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেত্রী শিখা যোশীর গতবছর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। গলায় ছুরির আঘাত পাওয়া গিয়েছিল।

পরভীন ববি
সত্তরের দশকের জনপ্রিয় নায়িকা পরভীন ববির ২০০৫ সালে মুম্বইয়ে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

নাসিফা জোসেফ
প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া ও অভিনেত্রী নাসিফা জোসেফও সম্পর্ক জনিত কারণে নিজের বিয়ের কয়েক সপ্তাহ আগে আত্মহত্যা করেন।

কুলজিত রনধাওয়া
সুপারমডেল ও অভিনেত্রী কুলজিত রনধাওয়া জীবনের চাপ নিতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।

দিশা গঙ্গোপাধ্যায়
গত বছর বাঙালি টেলি সিরিয়াল খ্যাত অভিনেত্রী দিশা গঙ্গোপাধ্যায়েরও অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

স্মিতা পাতিল
আত্মহত্যার ঘটনা না হলেও খ্যাতির চূড়ায় থেকেও আশির দশকের বিখ্যাত অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলকে চলে যেতে হয়েছিল সন্তানের জন্ম দেওয়া সংক্রান্ত সমস্যার কারণে।












Click it and Unblock the Notifications