Yawning Health Concerns: অকারণেই হাই তুলছেন, অজান্তেই শরীরে বাসা বাঁধছে নাতো ভয়ঙ্কর রোগ!
শরীর যদি সুস্থ না থাকে তাহলে কোন কাজেই কিন্তু কারোর মন বসে না, বিরক্তি ভাব থাকে। এমন প্রায় সকলের সঙ্গেই হয়। আবার এমন অনেকের রয়েছেন, যারা কোনও কারণ ছাড়াই মাঝে মধ্যেই হাই তোলেন। এতে কিন্তু অনেকেই খুব বিরক্ত বোধ করেন, শুধু অন্যরা যে বিরক্ত বোধ করেন তা কিন্তু নয়, তিনিও কিন্তু খুব বিরক্ত বোধ করেন।
যেখানে সেখানে, অটো, বাসে, ট্রাম যখন তখনই তার হাই ওঠে। চিকিৎসকেদের মতে, অনেক হরমোনের কারণে এমন সমস্যার সম্মুখীন হন অনেকে। যদি সেই হরমোনের মাত্রা শরীরে বেশি থাকে, তাহলে আপনার শরীরের ক্লান্ত হতে থাকবে। ১৫ মিনিটে তিনবারের বেশি হাই তোলা, একদমই কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না। এটি একটি রোগের লক্ষণ। যদি এরকম আপনার সঙ্গেও হয় তাহলে কিন্তু দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্লিপ অ্যাপনেমিয়া বা অনিদ্রা
চিকিৎসকেরা বলছেন, যদি কোনও ব্যক্তি প্রচুর পরিমাণে হাই তোলেন বা ঘুমের অভাব হয় তার পেছনে প্রধান একটিই কারণ অনিদ্রা, এটি হলে ঘুম আপনার কখনোই সঠিকভাবে হবে না। সেই সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাস আপনি কখনোই সঠিকভাবে নিতে পারবেন না। আপনি যখন ঘুমাবেন তখন প্রচুর জোরে জোরে নাক ডাকবেন। যার জন্য পাশের মানুষের অসুবিধা হবে।
ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
অনেকের শারীরিক অসুবিধার জন্য নানান ওষুধ খেয়ে থাকেন, সেই কারণে অনেক সময় অনেক ওষুধের কারণেও কিন্তু প্রচুর পরিমাণে হাই উঠতে থাকে। এটি অ্যান্টিসাইকোটিকস বা অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই আপনি ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন ছাড়া কখনোই ওষুধ খাবেন না বা কোনোও শরীর খারাপ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

মস্তিস্কের অসুবিধা
যদি আপনার প্রচুর পরিমাণে হাই তোলার মতন লক্ষণ থাকে তাহলে কিন্তু আপনার মস্তিষ্কের নানান সমস্যা হতে পারে। পারকিনসন্স ডিজিজ, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা আপনার হতে পারে।
মানসিক চাপ
চিকিৎসকের বলছেন, আবার এমন অনেকে রয়েছেন যাদের কোন কারনে মানসিক চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে তাদের রাতে সঠিকভাবে ঘুম হয় না। আর এটির কারণে তারা হাই প্রচন্ড ওঠে। তাই মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টার কথা বলছেন চিকিৎসকেরা।












Click it and Unblock the Notifications