World heart day: ক্রমেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা, জানুন লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায়
মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল হার্ট। হার্টকে সুস্থ রাখা আমাদেরই দায়িত্ব। তবে বর্তমান সময়ে জিমে করতে গিয়ে কিংবা ওয়ার্কআউট করার সময় অনেক মানুষই কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন।
শুধু তাই নয়, প্রাণও হারিয়েছেন অনেকেই। প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে (World heart day) পালন করা হয়। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে আপনি কি জানেন? কীভাবেই বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াবেন, জানুন।

জানুন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে
- বুকে ব্যথা
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি দেখেন হঠাৎ বুকে ব্যথা হচ্ছে কিংবা বুকের মাঝখানে ব্যথা হচ্ছে, সেই সঙ্গে আসতে আসতে আপনার বাম কাঁধ ও হাতেও সেই ব্যথা বাড়তে শুরু করছে। তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। কারণ এটিই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রথম লক্ষণ।
- শ্বাসকষ্ট হওয়া
অনেকের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগে শ্বাসকষ্ট হয়। দম নিতে ভীষণ কষ্ট হয়। মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে হয়, তাও কিন্তু অনেক কষ্ট করে নিতে হয়। এই লক্ষণগুলি কিন্তু হার্ট অ্যাটাকেরই লক্ষণ।
- ঘাম হওয়া
হার্ট অ্যাটাকের মুহূর্তে অনেকেরই কিন্তু শরীরে ঘাম ভরে যায়। বিশেষত এটি যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। কারোর বুক ধড়পড় করে। এরকম লক্ষণ দেখলে আগেই সতর্ক হোন।
- মাথা ঘোরা
অনেকেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সময় অজ্ঞান হয়ে যান। অনেকের মাথা ঘুরতে থাকে। এই লক্ষণগুলি দেখলে একদমই অবহেলা করবেন না।
- হাঁপিয়ে যাওয়া
যদি আপনি অল্প কাজ করেই হাঁপিয়ে যান। সেই সঙ্গে শুয়ে পড়তে ইচ্ছা করে, বুকে অসহ্য যন্ত্রণা করে, তাহলে কিন্তু আগেই সাবধান হোন আপনি।
- পালস রেট বেড়ে যাওয়া
যদি আপনার অনিয়মিত পালস রেট বাড়তে থাকে। কারণ ছাড়াই নার্ভাস হয়ে পড়েন কিংবা প্রচন্ড পরিমাণে মাথা ব্যথা হয়। ওষুধ খাওয়ার পরেও সেই ব্যথা কমতে চায় না, তাহলে আগেই সাবধান হন। কারণ এই লক্ষণগুলোই কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।
- কীভাবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াবেন
এই হার্ট অ্যাটাকে ঝুঁকি এড়াতে আপনাকে তেল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া ছাড়তে হবে। শুধু তাই নয়, জীবন যাত্রায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। মদ খাওয়া ছাড়তে হবে। ধূমপান করতে পারবেন না।
ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখতে হবে। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে হবে। নিত্যদিন সকালবেলা আপনাকে হাঁটতে হবে। মানসিক চাপ কমাতে হবে। তাহলে কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমবে। নিত্যদিন অবশ্যই সবুজ শাকসবজি, ফল খাওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে শরীর খারাপ লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।












Click it and Unblock the Notifications