স্বাধীনতা দিবস দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে এই ঐতিহাসিক স্থানগুলিতে ঘুরে আসুন
ব্রিটিশদের শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করেছিলেন দেশের হাজার হাজার বীর সন্তানরা। তাদের ত্যাগে আজ ভারত স্বাধীন। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্টে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এই বিশেষ দিনে শহীদদের সম্মান জানানোর একটি বিশেষ দিন।
দেশের চারিদিকেই পতাকা উত্তোলন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দেশাত্মবোধক গান গেয়ে সকল নাগরিকরা স্বাধীনতা দিবস পালন করে থাকেন। এই বিশেষ দিনে আপনি এই ঐতিহাসিক স্থানগুলিতে যেতে পারেন। দেখুন সেই স্থানগুলির মধ্যে কী কী রয়েছে।

- দিল্লির লালকেল্লা
চলতি বছর আপনি আপনার পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দিল্লির লালকেল্লায় ঘুরতে যেতে পারেন। এটি খুব সুন্দর জায়গা। ১৯৪৭ সালে যখন ভারত স্বাধীন হয়েছিল, ঠিক তখন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এই দুর্গ থেকেই ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির উদ্দেশ্যে।
- আগ্রা ফোর্ট
দিল্লি লালকেল্লা ছাড়াও আপনি আগ্রা ফোর্ট ঘুরতে পারেন। এই দুর্গটি মুঘল সাম্রাজ্যের এক অপূর্ব নিদর্শন। সেই সঙ্গে আপনি দিওয়ানই আম মসজিদ, তাজমহলের মতন জায়গা গুলো ঘুরে আসবেন।
- যোধপুরের মেহরানগড় দুর্গ
৪১০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত, বিশাল প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত এই মনোমুগ্ধকর দুর্গটিই হল যোধপুরের মেহরানগড় দুর্গ। যা দেশের অন্যতম বৃহৎতম একটি দুর্গ। এই দুর্গে প্রবেশ করতে কোনও মূল্য লাগে না।
তবে দুর্গের ভেতরে আকর্ষণীয় অনেক জিনিস রয়েছে। যেগুলি দেখার জন্য মূল্য দিয়েই আপনাকে প্রবেশ করতে হবে। এই দুর্গ ছাড়াও আপনি সেখানে গিয়ে অনেক প্রাসাদ, মন্দির, জাদুঘর দেখতে পাবেন।
- মুম্বইয়ের ক্রান্তি ময়দান
যদি আপনি মুম্বাইয়ে যেতে চান তাহলে ক্রান্তি ময়দানে ঘুরে আসতেই পারেন। ১৯৪২ সালের ৯ অগাস্ট গান্ধীজি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের স্লোগান এখান থেকেই দিয়েছিলেন। তাহলে এবার একবার এখানে আপনি ঘুরে আসুন।
- চন্দ্রশেখর আজাদ পার্ক
চন্দ্রশেখর আজাদ পার্কের নাম অনেকেই জানেন না। চলতি বছর স্বাধীনতা দিবসে আপনি এই জায়গায় ঘুরে আসুন। ১৯৩১ সালের চন্দ্রশেখর আজাদ ব্রিটিশ সৈন্যদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। চন্দ্রশেখর আজাদ ২৫ বছর বয়সে দেশকে রক্ষা করতে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।
- জালিয়ানওয়ালা বাগ
জালিয়ানওয়ালা বাগের কথা কেনা জানে! ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগে মুক্তিযোদ্ধারা সেই সময় রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জনসমাবেশের ডাক দিয়েছিল। সেই সমাবেশ চলাকালীন চারদিক ঘিরে ব্রিটিশ পুলিশেরা নির্বিচার গুলি চালাতে থাকে। যেখানে প্রাণ হারিয়েছিলেন হাজারের বেশি মানুষ। জখমও হয়েছিলেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications