বিনায়ক চতুর্থীতে গণপতিকে নিবেদন করুন এই ক্ষীর, বানাবেন কীভাবে, জানুন
প্রতিবছর অগ্রহায়ন মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে বিনায়ক চতুর্থী পালন করা হয়। এই দিন ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করা হয়। এদিন ভগবান গনেশের পুজো করলে আর্থিক দিকে লাভ হওয়ার পাশাপাশি গণপতির বিশেষ কৃপাও পাওয়া যায়।
চলতি বছর ৫ ডিসেম্বর পড়েছে বিনায়ক চতুর্থী। এই বিশেষ দিনে আপনি যদি মনের ইচ্ছা পূরণ করতে চান তাহলে অবশ্যই এই ক্ষীরটি তৈরি করে খেতে পারেন। এটি খেতে ভীষণ পছন্দ করেন গণপতি। জানুন কীভাবে বানাবেন, এই ক্ষীর বানাতেই বা কী কী লাগছে।

- বানাতে কী কী লাগবে
কীভাবে বানাবেন কলার ক্ষীর, বানাতেই বা কী কী লাগবে, জানুন- দুধ, পাকা কলা, চিনি, জাফরান, এলাচ গুঁড়ো, বাদাম কিংবা কাজু।
- কীভাবে বানাবেন
এটি বানাবার জন্য প্রথমে একটি আপনাকে প্রথমে কিছুটা দুধ মাঝারি আঁচে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। তবেই দুধ বারবার নাড়বেন, যাতে দেখবেন তলায় লেগে না যায়। তারপর দুধে আপনি সামান্য জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। জাফরানের রঙ যখন বেরোবে তখন কিন্তু স্বাদও আলাদা হবে।
তারপরে তাতে চিনি এলাচগুঁড়ো ভালোভাবে দিয়ে আরেকটু ফুটতে দিন। তারপর দুধে কলাকে ভালোভাবে ম্যাশ করে দিয়ে দিন। কলা দুধের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে গিয়ে ক্ষীর মতন যখন হয়ে আসবে তখনই তৈরি হয়ে যাবে কলার ক্ষীর।
তারপর আপনি গ্যাসকে বন্ধ করেন। সেই ক্ষীরটি ঠান্ডা হতে দিন। তারপর তাতে কাঁটা বাদাম কিংবা কাজুবাদাম দিয়ে ভালোভাবে সাজিয়ে গণেশকে নিবেদন করুন।
যদি আপনি চান, তাহলে কলা ছোট ছোট টুকরো টুকরো করেও দিতে পারেন। আর আপনি যদি মনে করেন, এই ক্ষীর ঘন খাবেন, তাহলে দুধ পরিমাণে কম দেবেন। একটু বেশি খেলে দুধ একটু বেশি দেবেন। স্বাদ অনুযায়ী চিনি দিতে পারেন। আবার যেমন পেস্তা, মাখানাও ব্যবহার করতে পারেন।
এতে কিন্তু স্বাদ বেশী বাড়ে। সেই সঙ্গে যায় জায়ফল, দারচিনিও ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিন্তু স্বাদ ক্রমশ বাড়তে থাকে। বিনায়ক চতুর্থীতে আপনিও কিন্তু গণেশকে এটি নিবেদন করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications