New Year 2025: অনন্য রীতি মেনে বিশ্বের এই দেশগুলি সাদরে আমন্ত্রণ জানায় নববর্ষকে
New Year 2025: নতুন বছর আসতে আর বেশি দিন বাকি নেই। মাত্র আর কয়েক দিনের অপেক্ষা। তারপরেই পুরানো বছর ২০২৪ সালকে বিদায় জানিয়ে ২০২৫ সালকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাবেন সকলে। এই নববর্ষে উৎসব বিভিন্ন দেশে নানান ভাবে পালিত হয়।
কেউ বা বড় করে পার্টি করে সেলিব্রেট করেন। আবার কেউ বা ১০৮ বার ঘন্টা বাজিয়েও কিন্তু সেলিব্রেট করেন। জানেন বিশ্বের কোন কোন দেশ কীভাবে নববর্ষকে সেলিব্রেট করেন, জানুন।

- জাপান ও কোরিয়া
জাপান ও কোরিয়া নববর্ষে কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে সেজে ওঠে। এই দুই দেশ ঘণ্টা বাজিয়ে নববর্ষকে আহ্বান জানান। তারা এক বা দু’বার নয় কিন্তু ১০৮ বার ঘন্টা বাজান। আর এটি শুধুমাত্র একজন বা দু’জন নয়, পুরো দেশবাসী কিন্তু এই সময়টি ঘন্টা বাজিয়েই নতুন বছরকে স্বাগত জানান।
- নেদারল্যান্ড
নেদারল্যান্ডে কিন্তু আপনিও এইবার নববর্ষ পালন করে আসতে পারেন। কারণ এখানকার নববর্ষ একটু অন্যরকম ভাবে পালিত হয়। নববর্ষ উদযাপনের বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। এখানকার মানুষ নববর্ষের শুরুতে খুব ভোরবেলা সমুদ্রের জলে ডুব দেয়। এভাবেই তারা নববর্ষকে সাদরে আমন্ত্রণ জানান।
- আমেরিকা
আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে নববর্ষ পালিত হয়। আর দারুণ জাঁকজমক ভাবে আয়োজন করা হয় নববর্ষের। আর নতুন বছরে কাউন্টডাউনে অংশ নিতে সারা বিশ্বের মানুষ কিন্তু এখানে আসেন এই নববর্ষ দেখতে। কারণ, টাইম স্কোয়ারের জড়ো হবার পর লম্বা খুঁটির দিকে তাকিয়ে থাকেন সকলে। তারপর বল নিচে পড়তে শুরু করে। যা কাউন্টডাউনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। যেগুলিকে দেখতে তরমুজের মতন লাগে। আর আমেরিকান বাসীরা কিন্তু সেগুলোকে উঁচু থেকে নিচে ফেলে দেয়। আর এভাবেই তারা নববর্ষ উদযাপন করেন।
- স্পেন
নববর্ষের স্পেন কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে সেজে ওঠে। সিটি বা ক্যানরি দ্বীপপুঞ্জে উদযাপন হয় নববর্ষ। স্পেনের নববর্ষের ঐতিহ্য হল ১২ টি আঙুর খাওয়া। অর্থাৎ রাত ১২ টার সময় রাত ১২টি আঙুর খাওয়া হয়, সেই সসঙ্গে বারো মাসের নাম বলা হয়। সেই সঙ্গে ১২ টি বেল বাজানো হয়। প্রতিটি বেলের বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে পালন করা হয় নতুন বছর। সেই সঙ্গে মানুষ নাচ, গানের সঙ্গে তাদের নববর্ষ পালন করেন।
- কম্বোডিয়া
কম্বোডিয়ার বাসিন্দারা নববর্ষের সময় ধূপকাঠি জ্বালায়। ভগবান বুদ্ধের কাছে প্রার্থনা করে তারা নববর্ষ শুরু করেন। বছরের দ্বিতীয় দিন তারা পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে পুজো করেন , দারিদ্র মানুষদের দান করেন। তৃতীয় দিন তারা বয়স্ক ব্যাক্তি এবং ভগবান বুদ্ধের পা ধুয়ে দেন। এই ভাবেই তারা নববর্ষকে আমন্ত্রণ জানান। তারা মনে করেন এগুলি করলে ভাগ্যের দ্বার খোলে ও জীবনের সমস্ত বাধা কাটিয়ে ওঠা যায়।












Click it and Unblock the Notifications