হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে এক রোগ থেকে তো মুক্তি পাবেন! কিন্তু জানেন কি তা দেহে বড় ক্ষতি করতে পারে?
বছর তিনেক আগের কথা। বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের দাপাদাপি। মহামারীর সেইসব দিনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রয়োজনীয়ই নয়, তা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং জীবন বাঁচানোর অন্যতম হাতিয়ার ছিল। সেই সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিক্রি ও ব্যবহার আকষ্মিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। যদিও বর্তমানে বিশ্ববাসী মহামারী থেকে অনেক দূরে। কিন্তু মাঝে মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যেস রয়ে গিয়েছে।
কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার মানব দেহে ক্ষতি করে। ইঁদুরের ওপরে করা পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে আসবাবপত্র, জামাকাপড়, আঠা, জীবাণুনাশকে এই রাসায়নিকের উপস্থিতি মস্তিস্কের সহায়ক কোষগুলিকে ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে অঙ্গের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তা ক্ষতি করে।

বিদেশে হওয়া গবেষণায় ( ওহিয়ো ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি) প্রায় দুই হাজার যৌগ পরীক্ষা করে দুই ধরনের রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যা মস্তিস্কের অলিগোডেনড্রোসাইট নামে পরিচিত কোষগুলির পরিপক্কতাকে থামিয়ে দেয় কিংবা মেরে ফেলে।
অলিগোডেনড্রোসাইট এক ধরনের স্নায়বিক সহায়তা কোষ। যা নিউরোনের চারপাশে ঘিরে একটি আবরণ তৈরি করে। মস্তিস্কের সংকেত দ্রুতগতিতে চলছে কিনা তা এই আবরণ নিশ্চিত করে।
বিশেষজ্ঞরা দুটি রাসায়নিক শ্রেণির একটিকে (অর্গানোফসফেট) কোয়ার্টারনারি যৌগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ওয়াইপস, হ্যান্ড স্্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক স্প্রে, টুথপেস্ট, মাউথওয়াশের মধ্যে থেকে এই যৌগ ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাসকে মারে। উল্লিখিত পণ্যগুলি ব্যবহার করার সময় রায়ানয়িকগুলি সাধারণভাবে শ্বাসের মাধ্যমে দেহের মধ্যে প্রবেশ করে। এই রায়াসনিক শিক্ষা প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে। অর্গানোফসফেট মানুষের ত্বকের মাধ্যমে দেহের অভ্যন্তরে এমন কী মস্তিস্কেও পৌঁছে যেতে পারে।
ইঁদুরের ওপরে চালানো পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ওই রায়ায়নিক প্রয়োগের কয়েকদিন পরে সেগুলির সনাক্তযোগ্য মাত্রা মস্তিস্কের টিস্যুতে উপস্থিত রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications