তাপপ্রবাহে ডিহাইড্রেশনের ধাক্কা সামলাবেন কী করে? জেনে নিন কয়েকটি টিপস
গরমের দাপটে জ্বলছে গোটা রাজ্য। তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাঁচবেন কীভাবে। শরীর ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচবে কীভাবে জেনে নিন কিছু টিপস।
গরমের চোটে হাসফাঁস দশা। গরম আর রোদের চোটে শরীরের সব জল শুকিয়ে যাচ্ছে। জল খেয়েও যেন আশ মিটছে না। গরম যত বাড়ছে তত ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা বাড়ছে। রোদ গরম হলেও সকলকেই বাইরে বেরিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। তাতে অনেকেরই ডিহাইড্রেশনের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই। গরমে শরীর ঠিক রাখতে হলে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন।

গরমে তাপপ্রবাহের জেরে ডিহাইড্রেশন তৈরি হচ্ছে শরীরে। সাধারণত ঘামের সঙ্গে জল বেরিয়ে গিয়ে অথবা প্রচণ্ড গরমে শরীর থেকে জল বেরিয়ে গিয়ে ডিহাইড্রেশন তৈরি হয় শরীরে। জলের পরিমান কমে যায়। তার জেরে ডায়রিয়া আবার বমি হতে শুরু করে। তার জেরে শরীরে ডিহাড্রেশন তৈরি হয়।
ডিহাইড্রেশন হলে বুঝবেন কী করে অনেকেই এই প্রশ্ন করেন। ডিহাইড্রেশন হলেই গলা শুকিয়ে যায়। বেশি করে জল েতষ্টা পায়। গায়ের চামড়ায় খড়ি উঠে যায়। ক্লান্তি লাগে। আচ্ছন্ন হয়ে থাকে শরীর। সবসময় মনে হয় শুয়ে থাকি। খিদে কমে যায়। মাথা ব্যাথা হয়ে যায়। গরম সহ্য করা যায় না। লাল হয়ে যায় প্রস্রাব।

ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচার একটা বড় উপায় হল প্রচুর পরিমানে জল খাওয়া। দিনে দেড় থেকে ২ লিটার জল খাওয়া জরুরি। প্রচুর পরিমাণে তরল বা জলীয় খাবার খাওয়া। গরমের মধ্যে কায়িক শ্রম এড়িয়ে চলাই ভাল। বারবার বমি হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখানো উচিত। পায়খানা পাতলা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। লবন খাওয়া কম করা উচিত।

বেশি লবন দেওয়া খাবার খাওয়া কমিয়ে দেওয়া উচিত। বেশি প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করা উচিত এই সময়ে তাহলে অনেকটা ডিহাইড্রেশন এড়ানো যায়। বেশি করে েলবু জল। ফলের রস খাওয়া উচিত। ইলেকট্রল যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। হেলথ ড্রিংস খাওয়া উচিত। চা-কফি, সোডা, মদ্যপান এড়িয়ে যাওয়া উচিত।












Click it and Unblock the Notifications