Sleep Disorders: পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমালে শরীরে কী কী সমস্যার সৃষ্টি হয়, জানেন
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম প্রত্যেকটি মানুষেরই খুব দরকার। একজন ব্যক্তির ন্যূনতম আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত, যদি কারোর সঠিক ঘুম না হয় তাহলে তার শরীরে নানান অসুবিধার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, নার্ভ ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে। নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সেই ব্যক্তিকে।
দেখুন, ঘুম যদি সঠিক না হয় তাহলে কোন কোন সমস্যার সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে।

খিটখটে হয়ে যাওয়া
মেজাজ ক্রমশ খিটখিটে হতে থাকবে আপনার, সর্বদা বিরক্তি বোধ করবেন। যে ব্যক্তির কম ঘুমান তিনি সবসময়ই বিরক্তি বোধ করেন। কোনও কাজে তিনি মন বসাতে পারেন না। সবসময় খিটখিটে মেজাজ থাকে তার। আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে তার অসুবিধা হয়। যদি রাত্রিবেলা সঠিক ঘুম না হয় তাহলে শরীরে কিন্তু সঠিক পরিমাণে শক্তি পাবেন না। কাজের ইচ্ছাও কমতে থাকবে।
রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমবে
ঘুমের অভাব হলে আপনার ইমিউনিটি সিস্টেম ক্রমশ দুর্বল হতে থাকবে। কাজ করতে পারবেন না, বারবার সর্দি-কাশির মতন ফ্লুতে আক্রান্ত হতে থাকবেন। এতে আপনার শরীর আরোও খারাপ হয়ে যাবে। গায়ে জোর পাবেন না। খাওয়া দাওয়ায় অনীহা দেখা দেবে।
শরীর ক্লান্ত হতে থাকে
অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তি সঠিক পরিমাণে ঘুমান না, তার হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয় তিনি ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে যান এবং তার ওজন প্রচুর পরিমাণে বাড়তে থাকে। তাঁকে নানার সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

দুর্ঘটনা ঘটতে পারে
পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমালে দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়া সম্ভাবনা সব থেকে বেশি থাকে। যদি কোনয় ব্যক্তি সঠিক পরিমাণে না ঘুমান তাহলে তাঁর দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। কারণ তিনি তার ক্লান্ত শরীরকে নিয়ে যখন রাস্তায় হাঁটবেন তখন ভুলবশত তার দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, খুব সাবধানে যাতায়াত করা দরকার তাঁর রাস্তায়। গাড়ি চালালে খুব সাবধানে চালাবেন।
ডিমেনশিয়া
যে ব্যক্তি খুব কম পরিমাণে হয় ঘুমান তার ডিমেনশিয়া রোগ হবার ঝুঁকি সবথেকে বেশি,। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন এবং সাবধানে থাকার চেষ্টা করবেন। প্রত্যেকটি ব্যক্তির রোজ আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত।












Click it and Unblock the Notifications