বৃষ্টির জল গায়ে লাগলেই বেরোচ্ছে র্যাশ, হচ্ছে চুলকানিও, মুক্তির উপায় বলবে এই ঘরোয়া প্রতিকারই
বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে অনেকেরই ত্বকে র্যাশ, চুলকানির সমস্যা হয়। আবার অনেকের সময় ডায়রিয়া, পেট খারাপ লেগেই থাকে। বর্ষাকালে চুলকানির সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এই সময় প্রচুর পরিমাণে ফুসকুড়ি অনেকের বেরোয়। আর যা কিন্তু খুব অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু কেন চুলকানির সমস্যা হয় জানেন? বৃষ্টির জলে প্রচুর ধুলো, ধূলিকণা থাকে, যা কিন্তু ত্বকের সংস্পর্শে এসে অ্যালার্জি, জ্বালানির চুলকানির সমস্যা হতে পারে। এমন সমস্যা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

- ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া
বৃষ্টির জলে প্রচুর পরিমাণে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া থাকে। যে কারণে অনেকেরই হাতে পায়ে বৃষ্টির জল লাগলে চুলকানি, লাল লাল হতে থাকবে বা ফুলে যেতে থাকে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার আগে সাবধান হোন আপনি।
- পোকা মাকড়ের উৎপাত
জমা জলে নানা রকম পোকামাকড়ের উৎপাত বাড়তে থাকে। অনেক সময় জলে পা রাখলে সেগুলি কামড়াতে থাকে। যে কারণেও অনেক সময় চুলকানির সমস্যা হতে থাকে। এমনকি হাতে, পায়ে প্রচণ্ড জ্বালা করতে থাকে।
বর্ষাকালে কীভাবে চুলকানির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, জানুন
- বৃষ্টির জলে ভিজবেন না
যতটা পারবেন বৃষ্টিতে ভেজা এড়িয়ে চলুন। যদি আপনি বৃষ্টিতে ভিজে যান তাহলে দ্রুত উষ্ণ গরম জলে স্নান করুন। এতে আপনার শরীরের উপর যে ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব পড়েছে তা দ্রুত কমবে।
- ত্বক শুকনো রাখুন
যদি আপনার চুলকানি সমস্যা থাকে, তাহলে বর্ষাকালে অবশ্যই আপনার ত্বককে শুকনো রাখতে হবে। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা রাখতে হবে। তাই যতটা পারবেন তেল মাখার চেষ্টা করবেন। এতে কিন্তু আপনার ত্বক ভালো থাকবে, ত্বকে চুলকানি হবে না।
- অ্যালোভেরা গাছ
যদি আপনার বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ থাকে, তাহলে বর্ষাকালে যখন চুলকানি সমস্যায় ভুগবেন, সে সময় গায়ে অ্যালোভেরার জেল মাখতে পারেন। অ্যালোভেরা মাঝখান থেকে কেটে জেল বার করে মাখতে পারেন। কারণ এতে, প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য থাকে। যা ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
- অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
যদি আপনি ত্বকের জ্বালাপোড়ায় ভোগেন , তা দ্রুত কমাতে চান তাহলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। উষ্ণ গরম জলে অ্যাপেল সাইডের ভিনেগার দিয়ে স্নান করতে পারেন। ২-৩ ভিনেগার মিশিয়ে হালকা গরম জলে স্নান করলেই কিন্তু আপনার ত্বকে চুলকানির সমস্যা কমবে।
- চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
তারপরেও যদিও চুলকানি না কমে, প্রচুর পরিমাণে চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাচ্ছে, পা ফুলে যাচ্ছে, ফোসকা পরছে, সেই সঙ্গে জ্বর আসছে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। না হলে বিপদে পরতে হতে পারে আপনাকেও।












Click it and Unblock the Notifications