রাধা রানিকে রাধাষ্টমীতে তার প্রিয় এই খাবার ভোগ হিসাবে নিবেদন করুন, রইল রেসিপি
হিন্দুধর্মে রাধাষ্টমীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিবছর জন্মাষ্টমীর ঠিক ১৫ দিন পরেই পালিত হয় রাধাষ্টমী। আর এই বিশেষ দিনটির জন্য সকলেই অপেক্ষা করে থাকেন। কারন এই ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রাধা রানি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
কথিত আছে এই দিনে, আপনি যদি উপোস করে রাধা রানির পুজো করেন তবে জীবনে সকল কাজে এগিয়ে যেতে পারবেন। এতে আপনার ওপর থাকা কালো ছায়াও সরে যাবে। ভাগ্যের দ্বার খুলবে আপনার। তবে এই দিন যদি পারেন রাধা রানিকে তার মন মতন ভোগ নিবেদন করতে পারেন।

এতে তিনি কিন্তু খুব খুশি হন। আপনি কি জানেন রাধা রানি ক্ষীরের পাটিসাপটা খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। তাই এই রাধাষ্টমীতে আপনিও কিন্তু রাধা রানিকে ক্ষীরের পাটিসাপটা দিতে পারেন। এটি আপনি খুব সহজেই বাড়িতেই বানাতে পারেন। রইল রেপিসি। ক্ষীরের পাটিসাপটা বানাতে লাগবে- দুধ, চিনি, চালের গুঁড়ো, ময়দা, গুড়।
কীভাবে বানাবেন- প্রথমে গ্যাসে একটি পাত্র বসান। তারপরে তাতে দুধ দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। দেখবেন দুধ যেন কখনও কড়াইয়ে নিচে লেগে না যায়। যতটা দুধ বসিয়েছেন তার থেকে যখন অর্ধেক হয়ে আসবে, তখন সেখান থেকে অর্ধেকের বেশি দুধ তুলে রাখুন অন্য পাত্রে।
তারপর কিছুক্ষণ ফুটে এলে পাত্রটি ঢেকে রেখে দিন অন্তত ৫ থেকে ৭ মিনিট। তারপর দু’কাপ জলে গুড় ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর তাতে চালের গুঁড়ো আর গুড় গোলা দিয়ে একটি গোলা তৈরি করুন। এই গোলা কিন্তু খুব পাতলা করবেন না, আবার খুব মোটাও রাখবেন না।
এরপর একটি গ্যাসে একটি তাওয়া বসান। তারপর তাতে তেল ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। তারপর আধ কাপ গোলা নিয়ে প্যানে গোলগোল করে রুটির আকারে দিয়ে দিন। তারপর পাটিসাপটার উপরের দিকটা শুকনো হয়ে গেলে যে ক্ষীরটা বানিয়ে ছিলেন, সেটি দিয়ে দিন। দিয়ে আসতে আসতে পাটিসাপটা মুড়ুন।
হালকা ভাবে চাপ নিন। এই রকমভাবে চেপে পাটিসাপটার মুখ বন্ধ করে নিন। তাহলেই ক্ষীরের পাটিসাপটা একেবারে তৈরি হয়ে যাবে। এই ক্ষীরের পাটিসাপটা আপনি রাধারানিকে দিলে রাধাষ্টমীতে তিনি কিন্তু খুব খুশি হবেন। আর খুব সহজেই কিন্তু এই উপায় আপনিও বাড়িতে এটি বানিয়ে খেতে পারেন। এটি খেতেও কিন্তু খুব অসাধারণ লাগবে।












Click it and Unblock the Notifications