প্রোটিনযুক্ত খাবার দেখলে মুখ ঘোরাচ্ছেন, জানেন কি নিজের বিপদ নিজেই ডাকছেন!
এমন অনেকেই রয়েছেন যারা বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে চান না কারণ প্রোটিন যুক্ত খাবার বেশি খেলে তাহলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই অনেকেই প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি খান না।
তবে আপনি কি জানেন শরীরে যদি প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয় তা কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য খুব খারাপ। প্রোটিনের ঘাটতি হলে শরীরে কী কী অসুবিধা হয়, জানেন।

- রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়
প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেলে পেশী কিন্তু শক্তিশালী হবে না। নানা ধরনের রোগ শরীরে বাধবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কিন্তু আপনার আসতে আসতে কমতে থাকবে। চিকিৎসকদের মতে, যে ব্যক্তির শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে তাদের কিন্তু চুল, ত্বক ও হরমোনের মাত্রা শরীরে ঠিক থাকে না। সেই সঙ্গে তারা কোনও কাজ সঠিকভাবে করতে পারেন না। দুর্বল লাগে সব সময়। কার্যক্ষমতা কমে যায়। গা, হাত পা প্রচন্ড যন্ত্রণা হয়। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমতে থাকে কারণ প্রোটিনই কিন্তু দেহে অ্যান্টিবডি গঠন করতে সাহায্য করে।
- হাড় মজবুত হবে না
গবেষকদের মতে, প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওজনের ওপর নির্ভর করে প্রোটিন যুক্ত খাবার উচিত। যেমন- ৭৫ কেজি ওজনের একজন ব্যক্তির প্রত্যেক দিন ৬০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। এতে কিন্তু তার হাড় আরও মজবুত হবে। লিভারে কোনও সমস্যা থাকবে না।
- শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটে না
শিশুদেরও কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ানো উচিত। না হলে তাদের বিকাশ হবে না। প্রোটিন যে শুধুমাত্র শরীরে পেশি বা হাড়কে মজবুত করতে কাজে লাগে তা কিন্তু নয়। প্রোটিনের অভাব যদি আপনার শিশুর হয় তাহলে তার শরীরে নানান সমস্যা দেখা দেবে। কমবে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। মস্তিষ্কের বিকাশ হবে না। তার মনে রাখার ক্ষমতা কমে যাবে।
- কাদের বেশি প্রোটিন যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন
যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হয় তাহলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমার সঙ্গে সঙ্গে গুরুতর রোগে আক্রান্ত হন অনেকে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে সকল ব্যক্তি বেশি পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খান তাঁদের শরীর বেশি খাবাপ হয় না। মহিলাদের বেশি পরিমাণে প্রোটিন যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
- লিভার সিরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
প্রোটিনের অভাবে আপনার লিভারের ওপর সবথেকে খারাপ প্রভাব পড়ে। এতে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। যদি আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার না খান তাহলে কিন্তু লিভার সিরোসিস হতে পারে। এমনকি লিভার ফেলিওর পর্যন্ত হতে পারে। তাই আগেই সাবধান হোন।
- ত্বক, চুল ও নখের সমস্যা দেখা দেয়
ত্বক, চুল ও নখ গঠনে সাহায্য করে কোলাজেন, ইলাস্টিন ও কেরাটিন। এই তিনটি উপাদান হল প্রোটিনের নানান প্রকারভেদ। তাই যদি আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তাহলে চুল পড়ে যাবে, আপনার নখ ভেঙে যাবে, ত্বকেরও নানান সমস্যা দেখা দেবে তাই আগেই সাবধান হন।












Click it and Unblock the Notifications