Monsoon Health Tips: বর্ষাকালে চুলকানিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন, মুক্তি পেতে মানুন এই ঘরোয়া প্রতিকার
বর্ষাকালে রোগের প্রকোপ একটু বেশিই হয়, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া-সহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভবনা থাকে, হাতে ,পায়ে কনুইয়ে, চামড়ায় বা শরীরের যেকোন জায়গায় চুলকানির সৃষ্টি হয়। আবার অনেকের দাদ, একজিমা, চুলকানি হওয়ার সম্ভাবনা হয়ে থাকে। ঘামের কারণে ত্বকে আর্দ্রতার কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে শরীরে, তাছাড়া অনেক কারণে চুলকানির সৃষ্টি হয়।
অনেকক্ষণ চুলকানোর পরে কিন্তু লাল লাল হয়ে গিয়ে রক্ত বেরিয়ে যায়। আবার অনেক সময় ফুসকুড়ি হয়, যদি এগুলি থেকে আপনি বেরিয়ে যেতে চান তাহলে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্যে আপনি চুলকানি কমাতে পারেন।

চন্দন
বর্ষাকালে যাদের চুলকানি সমস্যা রয়েছে, তারা চন্দন বেটে সেটি লাগাতে পারে। চন্দন ত্বকের জন্য খুব ভালো। চন্দনের গুঁড়ো আপনি সহজেই বাজারে কিনতে পাবেন। চন্দনের গুড়োর সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে যে পেস্টটি তৈরি করে সেটি আপনি চুলকানির জায়গায় লাগান। এটি আপনার ত্বককে যেমন ভালো রাখবে সেই সঙ্গে আপনার চুলকানিও কিন্তু কমবে।
নারকেল তেল
নারকেল তেল কিন্তু শুধু যে মাথায় মাখা হয়, তা কিন্তু নয়, নারকেল তেলে প্রচুর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকে, যা আপনার ত্বকের জন্য খুব ভালো। তাই বর্ষাকালে আপনি নারকেল তেল যদি আপনার চুলকানির জায়গা মাখেন, তাহলে খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে, সেই সঙ্গে ত্বকও অনেক উজ্জ্বল হবে।

লেবু
চুলকানির জায়গায় যদি লেবু মাখেন, তাহলে তা দ্রুতই সহজেই সেরে যাবে। ত্বকের জন্য লেবু কিন্তু খুব ভালো। আপনার বর্ষাকালে যদি চুলকানি হয়, তাহলে আপনি বেকিং সোডা, এক চামচ লেবু দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে চুলকানির জায়গায় মাখুন এবং ৫-১০ মিনিট রেখে দিন, তারপরে জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি কমে যাবে।
নিমপাতা
নিম পাতা আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসেবে কিন্তু ব্যবহার করা হয় এবং বাড়িতে কিছু না থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি চুলকানির জায়গায় নিম পাতা লাগিয়ে দিতে পারেন। কারণ নিমপাতাতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল রয়েছে, যা আপনার ত্বককে চুলকানি থেকে মুক্তি দেবে।












Click it and Unblock the Notifications