বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস, গুরুত্ব, তাৎপর্য সম্পর্কে জানুন
পরিবেশকে ভালো রাখা আমাদেরই দায়িত্ব। প্রতি মুহূর্তে আমাদের পরিবেশের যত্ন নেওয়া উচিত। প্রতিবছর ৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে পালন করা হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আর ২৬ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় 'বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবস’। পরিবেশের সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়। এই দিনটি ২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে পালিত হয়ে আসছে।
পরিবেশের সঙ্গে প্রতিটি মানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য গভীরভাবে যুক্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, স্বাস্থ্যকর পরিবেশই পারে বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ রোগের ঝুঁকি কমাতে।

জলদূষণ, বায়ুদূষণ, মাটিদূষণ যেকোনও দেশের জনসাধারণের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। যা বড় রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশই পারে মানুষকে সুস্থ রাখতে। তাই পরিবেশের যত্ন নেওয়া সকলেরই খুব দরকার।
প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবসে নতুন নতুন থিমের মাধ্যমে পালন করা হয়। চলতি বছরো নয়া থিমের কথা ভাবা হয়েছে। যা হল পরিবেশগত স্বাস্থ্য, জলবায়ুর পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি থাকে বা হয়, তা মোকাবিলা করার আহ্বান জানানো।
এই বিশেষ দিনটি আজ থেকে নয় ২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে পালিত হয়ে আসছে। কারণ এই দিনেই ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ এনভায়রনমেন্ট হেলথ বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবস ঘোষণা করেছিল। আমাদের পরিবেশের স্বাস্থ্যের ওপর লক্ষ্য রাখাই এই দিনের উদ্দেশ্য।
এই দিনে পাড়ায় পাড়ায় অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই সকলের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হয়। গাছ কেটে ফেলা, নদী বা পুকুরে ময়লা ফেলা, এগুলি কিন্তু পরিবেশের ক্ষতির পাশপাশির জীবেদেরও স্বাস্থ্যের বড় ক্ষতি করছে।
স্বাস্থ্যকর পরিবেশ যদি না থাকে, যদি দূষণে চারদিক ভরে যায় তাহলে কিন্তু তার বড় প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। এতে ফুসফুসে ক্যানসার, হার্টের সমস্যা, হাঁপানি, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। আবার কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ারও ঝুঁকি বাড়তে থাকে। শুধু যে মানবসমাজে ঝুঁকি বাড়ছে, তা কিন্তু নয়। এতে কিন্তু পশু, পাখিদের স্বাস্থ্যের ওপরেও ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications