HMPV ভাইরাস থেকে নবজাতককে কীভাবে রক্ষা করবেন, জানুন উপায়
বর্তমানে HMPV ভাইরাস নিয়ে প্রায় সকলেই ভয়ে ভয়ে রয়েছেন। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে শিশু, যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম, বয়স্ক ব্যক্তিদের। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শিশুদের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে মায়েদের।
তাছাড়াও এই সময়ে নবজাতকদের নিয়ে মায়েদের দুশ্চিন্তার কিন্তু শেষ নেই! যদি আপনি নবজাতকে এই রোগের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে চান এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে চান তাহলে এইভাবে তাদের যত্ন নিতে পারেন। জানুন কী কী করবেন।

- শ্বাসকষ্ট
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, HMPV –এর ভাইরাসের কারণে ছোট বাচ্চাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।
- নিউমোনিয়া
আবার এর কারণে ছোট বাচ্চাদের কিন্তু নিউমোনিয়া হতে পারে। যার থেকে তাঁদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে। যা কিন্তু পরবর্তীকালে বড় আকার ধারণ করতে পারে।
- হাঁপানি
এই ভাইরাসের থেকে হাঁপানির সমস্যা হতে পারে। আবার শ্বাসযন্ত্রের বড় রোগের শিকার হতে পারে তারা।
- ফুসফুসের সমস্যা
এই রোগের কারণে শিশুদের কিন্তু হাঁপানি রোগে ভুগতে হতে পারে। শিশুদের ফুসফুসে সমস্যা হতে পারে। আর এই ফুসফুসের সমস্যা থেকে তাদের কিন্তু শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও হতে পারে। তাই আগেই সাবধান হোন আপনি।
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নবজাতকের HMPV ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে। শিশুদের চারপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। দু’ হাত ধোয়ার পরেই বাচ্চাদের কাছে যাবেন। যাতে কোনও ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস তাদের ধারে কাছে আসতে না পারে সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখবেন।
- ঠান্ডা থেকে শিশুকে দূরে রাখুন
এই ভাইরাস শীতের মরসুমে ছড়িয়ে পড়েছে, তাই শিশুদের কিন্তু ঠান্ডা থেকে তাদের বাঁচাতে হবে। তাই গরম জামাকাপড় সর্বদা তাদের পরিয়ে রাখবেন। ভেজা, ঠান্ডা জায়গায় তাদেরকে রাখবেন না। রোদ্দুরের আলোতে তাদের রাখার চেষ্টা করুন। এতে তাদের কিন্তু শরীরের ভিটামিন ডিয়ের ঘাটতিও পূরণ হবে। সেই সঙ্গে বড় ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কিন্তু কমবে।
- টিকা দিন
শিশুর যদি কোনও টিকা বাকি থাকে, তাহলে সেই টিকা তাকে দিয়ে দিন। সেই টিকা দিতে একদমই দেরি করবেন না। কারণ অনেক টিকা কিন্তু অনেক সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।
- মাস্ক পরুন
শিশুকে নিয়ে কোনও ভিড়ে যাবেন না। যতটা সম্ভব দূরে রাখার চেষ্টা করুন শিশুকে। আর প্রয়োজনে শিশুদেরকে মাস্ক পরান। তাহলেই তাদের ভাইরাস ছুতে পারবে না।
- চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
যদি আপনার শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি কিংবা শ্বাসকষ্টের কোনও সমস্যা থাকে, সমস্যা তৈরি হয় তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।
- বুকের দুধ খাওয়ান
নবজাতকের মায়েদের উচিত সময় মতন বুকে দুধ খাওয়ানো। এতে তাদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। যেকোনও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে তারা।












Click it and Unblock the Notifications