শীতে খুশি থাকতে ও মেজাজ উন্নত রাখতে নিত্যদিন খান এই খাবারগুলি
শীতে সকলেরই রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমতে থাকে। আর এই শীতকালেও মেজাজ অনেকের খিটখিটে থাকে। কারণ এই সময়ে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতে ইচ্ছা করে না। এমনকি বিছানা থেকে ঘুম থেকে উঠতেও ইচ্ছা করে না।
তাই এই শীতে আপনি যদি মনকে খুশিতে রাখতে চান, শরীর সুস্থ রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই এগুলি নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। জানুন কী কী খাবেন।

- কম সূর্যের আলো
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে কম সূর্যালোকের কারণে শরীরে সেরাটোনিনের মাত্রা কমতে থাকে। এই হরমোন কিন্তু সুখী হরমোন। যা আপনার মেজাজের পরিবর্তন ঘটাতে সাহায্য করে।
- হাড়
শরীরে ভিটামিন ডিয়ের অভাব হলেও আপনার হাড়ের জন্য যেমন খারাপ, ঠিক তেমনি মেজাজ ভালো থাকে না। তাই শরীরে ভিটামিন ডিয়ের ঘাটতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
- অলস লাগে
শীতকালে দিন ছোট হয়, রাত বড় হয়। তাই শরীরে মেলাটোনির নামক হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। যা ঘুম নিয়ন্ত্রণ রাখে। তাই অত্যাধিক এই হরমোন ক্ষরণের ফলে আপনাকে কিন্তু অলস করে দিতে পারে। যার বিশেষ প্রভাব পড়বে আপনার মেজাজের ওপর।
- ডার্ক চকোলেট
যদি আপনি শীতকালে মেজাজ উন্নত রাখতে চান, শরীর সুস্থ রাখতে চান, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে চান, তাহলে অবশ্যই নিত্যদিন এগুলি খাবেন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে ডার্ক চকোলেটের। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে। যে মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ও যা সেরোটিনের মাত্রা বাড়ায়।
- আখরোট
আখরোট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা মস্তিষ্ক ভালো রাখে ও মেজাজ উন্নত করতে সাহায্য করে।
- বাদাম
বাদামে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। রাতে আপনি যদি ২ থেকে ৩ টে বাদাম খেয়ে খুমালে আপনার কিন্তু খুব ভালো ঘুম হবে।
- কলায়
কলায় যে প্রচুর গুণ রয়েছে, তা আমরা সকলেই জানি। এতে ভিটামিন বি সিক্স, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যা সেরাটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
- সবুজ শাক সবজি
সবুজ সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। যেমন- পালং শাক, মেথি শাক। এতে ভিটামিন ও খনিজ থাকে। যা মেজাজকে উন্নত রাখতে সাহায্য করে।
- কমলালেবু
কমলালেবুতে ভিটামিন সি থাকে। যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। তাই আপনি শীতকালে নিত্যদিন ভরসা রাখতে পারেন কমলালেবুর ওপর।
- আদা ও দই
আদা ও দই খাওয়া খুব ভালো। আদাতে প্রচুর পরিমাণে আন্টিইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য থাকে। আর দই প্রোবায়োটিক একটি খাবার। যা আপনার অন্ত্র ভালো রাখবে, মানসিক চাপ কমবে ও মেজাজে উন্নত রাখবে।
- মাছ
যদি পারেন নিত্যদিন মাছ খান। কারণ মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা আপনার মস্তিষ্ক ভালো রাখবে। যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বাড়াবে।
- মানবেন কী কী জানুন
এগুলি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিত্যদিন রোদে বসুন। ব্যায়াম করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান অর্থাৎ ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান। সেই সঙ্গে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান । এতে আপনার মস্তিষ্কের কোনও সমস্যা হবে না। এমনকি আপনার মনে খুশি লেগে থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications