দেশ জুড়ে তাপপ্রবাহে নানা শারীরিক সমস্যা! গ্রীষ্মকালীন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেসব বিষয় আপনাকে চাপে ফেলতে পারে
তাপপ্রবাহ এখন একটি পরিচিত শব্দবন্ধ। বিশ্বে উষ্ণায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিস্থিতির ধারাবাহিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাপপ্রবাহ গ্রীষ্মের রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সমীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, শীতকালে শৈত্যপ্রবাহ কম থাকলেও, গরমকালে তাপপ্রবাহ তুলনামূলক বেশি হয়ে দেখা দিচ্ছে।
তাপপ্রবাহ সাধারণভাবে বয়স্ক এবং শিশুরা ছাড়াও যাঁরা গুরুতর কোনও রোগে আক্রান্ত তাঁদের ওপরে প্রভাব ফেলে। এইসব ব্যক্তিবর্গের ডিহাইড্রেশন এবং ক্লান্তি থেকে হিটস্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় বলে মত চিকিৎসক থেকে আবহাওয়াবিদ, সকলেরই।

তাপপ্রবাহের জেরে ক্লান্তি ভাব আসাটা স্বাভাবিক। তবে সঙ্গে যদি বমি কিংবা বমি বমি ভাব দেখা দেয় কিংবা অজ্ঞানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এই পরিস্থিতি তখনই হতে পারে, যখন শরীরে তাপ অভিভূত হয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া কার্যকর থাকে না।
তাপপ্রবাহ কিংবা এই পরিস্থিতি তৈরি হলে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং শরীরের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি। এই সময় যেমন বাড়ির ভিতরে থাকতে হবে আবার প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। দিনের উষ্ণতম সময় অর্থাৎ বেলা ১১ টা থেকে বিকেল চারটের মধ্যে বাইরের কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।

তাপপ্রবাহের ফলে শারীরিক বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে। শরীরে জল ও ইলেক্ট্রো লাইটের পরিমাণ কমে গেলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে যেমন তৃষ্ণা লাগতে পারে। আবার মুখ শুঙ্ক হতে পারে। দুর্বলসা, মাথা ঘোরা এবং প্রস্রাব গাঢ় ও হলুদ রঘের হতে পারে।
তাপপ্রবাহের পরিস্থিতিতে হিট ক্র্যাম্প অর্থাৎ পেশিতে টান লাগতে পারে। অত্যধিক গরমে শারীরিক কার্যকলাপের সময় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। শরীরে ইলেকট্রোলাইট এবং তরলের পরিমাণ কম হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Click it and Unblock the Notifications