Health Tips: শীতকাল পরার আগেই ফাটতে শুরু করেছে পা, রেহাই মিলবে এই ঘরোয়া প্রতিকারেই
হালকা হালকা ঠাণ্ডা কিন্তু পড়তে শুরু করে দিয়েছে। শীতকাল পরার আগেই কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছেন যাদের পায়ের গোঁড়ালি ফাটতে শুরু করে দিয়েছে। পায়ের গোঁড়ালি ফাটলে নানান সমস্যা হয়। গোঁড়ালিতে ব্যথা হয়, হাঁটতে অসুবিধা হয়। সেই সঙ্গে দেখতেও কিন্তু ভালো লাগে না। আবার অনেক সময় সামান্য রক্তও বের হয়।
এটা আপনার সঙ্গেও হয়, তাহলে দেরি না করে আপনিও পায়ে মাখতে পারেন এটি। এগুলি মাখলে আপনার পায়ের গোঁড়ালি ব্যথা কমবে খুব দ্রুত, দেখুন কোন কোন ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে আপনার গোঁড়ালি ব্যথা, ফাটা কমাবেন।

- জল ও গ্লিসারিন
যদি আপনার গোঁড়ালি ফাটতে থাকে তাহলে এখন থেকেই আপনি জল এবং গ্লিসারিন পায়ে মাখতে পারেন। রাতে ঘুমোবার আগে আধ বালতি উষ্ণ গরম জলে পা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পা ধুয়ে কুড়ি মিনিট পা শুকান, তারপর কোনও ব্রাশ দিয়ে পায়ের গোঁড়ালির ভালো ভাবে পা ঘুসুন, তারপর একটি সুতির কাপড়ে পা মুছে গ্লিসারিন পায়ে মাখুন।
- অ্যালোভেরার জেল ও গ্লিসারিন
অ্যালোভেরার জেল ও গ্লিসারিন একসঙ্গে মাখলে আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটা দ্রুত কমবে এবং ব্যথাও কমবে। যদি আপনার গোঁড়ালি ফেটে যায় এবং পা ঘষে যায়, তাহলে দেরি না করে আপনি তাড়াতাড়ি অ্যালোভেরা জেল এবং গ্লিসারিন পায়ে লাগান। এটি ব্যথা জায়গায় মেখে নিন এবং দেখবেন আপনার পায়ে তলার যন্ত্রণা কমবে। এতে আপনার পায়ের ত্বক আপনার আরোও সুন্দর হবে এবং আপনার গোঁড়ালি ব্যথা কমবে।
- মধু
মধু পায়ে মাখলে আপনার পা ফেটে যাবে। গোড়ালি ফাটলে সেটি থেকে মুক্তি পাবেন। প্রথমে আধ বালতি উষ্ণ গরম জলে এক কাপ মধু মেশান, সেই জলে কুড়ি মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। তারপরে পা তুলে সেটিকে একটি ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে ঘষে নিন। গোড়ালিতে ভালোভাবে ঘষে নেন। ঘষা হয়ে গেলে আবার একটু উষ্ণ গরম জলে পা ধুয়ে নিন, তাতে সামান্য পরিমাণ মধু লাগান, কারণ মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিসেপটিক থাকে।
- দুধ ও মধু
যদি পা আরও নরম রাখতে চান, গোঁড়লি ফাটা দূর করতে চান তাহলে আপনি দুধ এবং মধু একসঙ্গে রাতে ঘুমাবার আগে উষ্ণ গরম দুধ দিয়ে প্রথমে পা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। তারপর সামান্য মধু পায়ের গোড়ালিতে ভালোভাবে ম্যাসেজ করুন। তারপর হালকা গরম জল দিয়ে সেই পা ধুয়ে ফেলুন। এতে খুব দ্রুতই আপনি পায়ের গোঁড়ালি ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন।












Click it and Unblock the Notifications