বর্ষার মরসুমে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, কিন্তু কেন? কীভাবে সচেতন থাকবেন, জানুন
বর্ষাকালে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা ক্ষমার সঙ্গে সঙ্গে নানান সমস্যায় ভুগতে হয় সকলকে। এই সময় শরীরের দিকে বিশেষ যত্ন দিতে হয় ,না হলেই বড় বিপদ। সেই সঙ্গে ফুড পয়েজনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও কিন্তু বাড়তে থাকে। তাই বর্ষাকালে খাবার-দাবারের দিকে খুব নজর রাখতে হয়।
এই সময় বাইরের খাবার একদমই খাওয়া উচিত নয়। তাই এই সময়ে ভুলেও স্ট্রিট ফুড ভুলেও ছোঁবেন না। এতে আপনার শরীর খারাপ হতে পারে, পেট ব্যথা হতে পারে। বর্ষাকালে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, কেন, জানুন।

- বৃষ্টির কারণে
বৃষ্টির কারণে বাতাস আর্দ্র থাকে। যার কারণে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস খুব সহজেই জন্মাতে থাকে । যা খাবারে মিশে গিয়ে খাবারে দ্রুত বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। তাই এই সময়ে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
- জল
অনেক সময় জলের কারণে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। আর এই সময়ে জল দূষিত হতে থাকে। এবং সেই দূষিত জল খাবারের সংস্পর্শে এলে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
- শাক, ফল পচে যায়
বৃষ্টির সময় শাকসবজি ও ফল প্রায় সময় দ্রুত পচে যায়। তাই রান্না করার সময় ভালোভাবে দেখে রান্না করতে হবে বা যদি আপনি শাকসবজি বা ফল কিনে এনে রাখেন তাহলে কিন্তু সেগুলি ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।
- রাস্তার ধারের খাবার
বর্ষাকালে রাস্তার ধারে যে খাবার গুলো বিক্রি হয়, তাতে কিন্তু দ্রুত বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন- মাছি, ধুলোর সংস্পর্শে থাকাকালীন এই খাবারগুলি সহজে নষ্ট হতে থাকে ও খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাই আগেই সাবধান হোন আপনি।
- মশা,পোকামাকড়ের সৃষ্টি
অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে মশা, পোকামাকড়ের সৃষ্টি হয়। তাই এগুলি যদি খাবারে বসে তাহলে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যা খেয়ে শরীরে নানান সমস্যা হতে পারে।
- কীভাবে ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি কমাবেন
- প্রত্যেকদিন টাটকা খাবার ও ঘরে তৈরি খাবার খাবেন। বাসি বা বাইরের খাওয়া খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
- রান্না করার সময় ভালোভাবে রান্না করুন। রান্না কিন্তু কখনোই আঁচ সেদ্ধ করে রাখবেন না। কারণ এতে যদি খাবারে কোনও বিষক্রিয়া থাকে তা কিন্তু মরে যাবে।
- সব সময় ফোটানো জল খাওয়ার চেষ্টা করুন বা জল ফিল্টার করে খান। দেখবেন জলে যেন কোনও ব্যাকটেরিয়া না থাকে। কারণ জল থেকেই কিন্তু শরীর বেশি খারাপ হয়।
- যদি আপনি ফ্রিজে খাবার রাখেন, অবশ্যই ঢেকে রাখবেন। দেখবেন যাতে কখনও পচে না যায় খাবার। যদি অল্প পচনশীল হতে থাকে তাহলে কিন্তু সেই খাবার খাবেন না।
- খাবার খাওয়ার আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। যাতে হাতে কোনও ধরনের ব্যাকটেরিয়া না থাকে। সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। না হলে কিন্তু ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বাড়তে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications