এই আয়ুর্বেদিক প্রতিকারগুলি মেনে শীতকালে ঠোঁট ফাটার সমস্যাকে বলুন গুডবাই

শীতকালে কমবেশি সকলেরই ত্বকের সমস্যা হয়। তাছাড়া এই সময় রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কমতে থাকে। যেহেতু এই সময় ঠান্ডা বাতাস, শুষ্ক পরিবেশের কারণে পা ফাটা, ঠোঁট ফাটার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। অনেক সময় হয় ঠোঁট ফেটে অনেকের রক্ত পর্যন্ত বের হয়ে যায়। এসময় খেতেও খুব অসুবিধা হয়।

ঠোঁটে প্রচন্ড ব্যথা হয়। যদি আপনার ত্বক এই সময় শুকিয়ে যেতে থাকে কিংবা ঠোঁট ফেটে যায়, তা আপনি এড়াতে চান তাহলে এই আয়ুর্বেদিক প্রতিকারগুলি করতেই পারেন। এতে দেখবেন আপনি খুব সহজে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে বের হতে পারবেন। জানুন কী কী করবেন।

crack lips

  • ঘি বা মাখন

ঘি বা মাখন খাওয়া ত্বকের জন্য খুব ভালো। শীতকালে রাতে ঘুমাবার আগে ঠোঁটে যদি সামান্য ঘি বা মাখন মাখেন তাহলে আপনার ঠোঁট কখনোই শুকিয়ে যাবে না। ফেটে গিয়ে রক্তও বের হবে না।

  • মধু

মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, আন্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ থাকে। যদি আপনি নিত্যদিন এটি খান তাহলে আপনার ত্বক ভালো থাকবে। সেই সঙ্গে ঠোঁটও ফাটবে না। তাছাড়াও মধু আপনি কিন্তু ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে আপনার ঠোঁট খুব নরম হবে। সেই সঙ্গে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না।

  • নারকেল তেল

নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য থাকে। যা ফাটা কমাতে সাহায্য করে। শীতকালে দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার ঠোঁটে নারকেল তেল লাগান। এতে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে বের হতে পারবেন, সেই সঙ্গে ঠোঁটের উজ্জ্বলতাও বজায় থাকবে।

  • অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেলে থেকে প্রচুর উপকার রয়েছে তা আমরা সকলেই জানি। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য থাকে। তাছাড়াও বড় রোগের ঝুঁকি কমাতেও এটি খুব ভালো কাজ করে। যদি আপনি ঠোঁট ফাটার সমস্যায় ভোগেন, তা কমাতে দিতেই পারেন অ্যালোভেরা জেল।

  • জল

যদি আপনি দিনে তিন থেকে চারবার জলে দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলেন। তাহলেও কিন্তু আপনার ঠোঁটও শুকিয়ে যাবে না। ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

  • তিলের তেল

তিলের তেল ঠোঁটের জন্য খুব ভালো। ত্বকের যেকোনও জায়গার ফাটা কমাতে সাহায্য করে তিলের তেল।

  • গোলাপ জল

প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতেই গোলাপ জল থাকে। তাই শীতকালে ঠোঁট ফাটা কমাতে, নরম রাখতে অবশ্যই গোলাপজল দিতে পারেন। এতে কিন্তু আপনার ঠোঁট হাইড্রেট থাকবে। ঠোঁটের ফোলাভাব থাকলে তাও দ্রুত কমবে।

  • নিম তেল

নিম তেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ঠোঁটের যেকোনও সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া ঠোঁটে যদি আপনি পারেন অল্প নিম তেল দিতে পারেন

  • কর্পূর ও সরষের তেল

ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর করতে পারে কর্পূর ও সরষের তেল। একসঙ্গে দুটি মিশিয়ে শীতকালে আপনি আপনার ঠোঁটে দিতে পারেন। এতে ঠোঁটের ব্যথা কমবে। জ্বালাপোড়া থাকলে তাও কমবে। সেই সঙ্গে আপনার ঠোঁট কিন্তু নরম থাকবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+