Fatty Liver: ফ্যাটি লিভার থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক, আজ থেকেই এড়িয়ে চলুন এগুলি
বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাটি লিভার এবং হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। ফ্যাটি লিভার রোগটি খুব একটা গুরুতর নয়, তবে সঠিক সময় চিকিৎসা না করালে এটি কিন্তু পরবর্তীকালে গুরুতরও আকার ধারণ করে। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে গেলেই হয় ফ্যাটি লিভার।
তবে এই রোগকে কখনোই উপেক্ষা করবেন না। দু’ রকমের ফ্যাটি লিভার হয়। যেমন- অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার, যারা মদ বেশি পরিমাণে খেলে এটি হয় আরেকটি হল নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার, যেটি খাওয়ার কারণে হয়, মানে সঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া না করলে এই সমস্যা দেখা দেয়।

কী বলছেন চিকিৎসকেরা
চিকিৎসকেরা বলছেন, ফ্যাটি লিভারের সমস্যা যদি খুব বেড়ে যায়, আপনি সঠিক সময় ওষুধ না খান, তাহলে লিভার ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে, একজন ব্যক্তির লিভার যদি ঠিক কাজ না করে এবং তাতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি জন্মে যায়, তাতে কিন্তু শরীরের জন্য খুব খারাপ। এটিকে বলা হয় এলডিএল অর্থাৎ প্রোটিন কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা শরীরে বেড়ে গিয়ে হতে পারে এমন সমস্যা।
কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ে
ফ্যাটি লিভারের সমস্যাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়, সঠিক সময় যত্ন কর নেওয়া উচিত, তেল চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। প্রোটিন জাতীয় খাওয়া দাওয়া করা উচিত, না হলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ে। শুধু তাই নয়, বাড়তে থাকে হার্ট অ্যাটাকেরও ঝুঁকি। তবে যে সকল ব্যক্তির নন অ্যালকোহলিক রোগে আক্রান্ত তাদেরও কিন্তু লিভারের ক্ষতি হয় অনেক, হার্টের সমস্যাও বাড়তে থাকে প্রবল।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
ফ্যাটি লিভার অনেক সময় মোটা হওয়ার কারণে হয় অর্থাৎ যাদের ওজন অতিরিক্ত, তাদের ফ্যাটি লিভার হওয়ার সমস্যা বাড়ে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন, ডায়েট মেনে চলার চেষ্টা করুন।

মদ খাবেন না
যদি আপনি ফ্যাটি লিভার রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান বা এই রোগকে আপনার ধারে কাছে ঘেষতে দিতে না চান তাহলে কখনোই মদ খাবেন না। মদ খেলে ফ্যাটি লিভার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রবল।
হার্ট অ্যাটাক
ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল ও উচ্চ রক্তচাপের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন না হলে মানুষের শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক হয়, তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকুন।
চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন
যাদের ফ্যাটি লিভার রয়েছে, তারা চিনি কম খাবেন এবং চিনি জাতীয় যেকোন কোল্ড্রিংস না খাবার চেষ্টা করবেন। কাঁটা ফল, শাকসবজি, চর্বি বিহীন, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার চেষ্টা করুন। আর সঠিক সময় মতন খাওয়া দাওয়া করুন।












Click it and Unblock the Notifications