ক্রনিক রোগের সুনামির মুখে ভারত! ক্যান্সার নিয়ে সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

বিশ্বায়নে বদলেছে অর্থনীতি। বদলাচ্ছে জীবনধারা। এই পরিবর্তিত জীবনধারার কারণে সুবিশাল ভারতবর্ষ বিভিন্ন ক্রনিক রোগের সঙ্গে যুদ্ধ চালাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতার সঙ্গে বলছেন, ক্রনিক রোগের সুনামির মুখে পড়তে চলেছে। তবে বিপর্যয় রোধ করতে প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসার ভারতবাসীর জন্য অপরিহার্য বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কীভাবেব ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই

কীভাবেব ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই

ক্যান্সার প্রতিরোধে ভ্যাকসিন এবং চিকিৎসা, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা ডিজিটাল টেকনোলজি প্রসার এবং লিকুইড বায়োপসি থেকে রোগ নির্ণয়ে জোর দিচ্ছেন বিদেশের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও জিনোমিক প্রোফাইলিং, জিন এডিটিং টেকনোলজির বিরর্তন, পরবর্তী প্রজন্মের ইমিউনোথেরাপি, কার-টি সেল থেরাপিও অন্যতম বলে উল্লেখ করছেন তাঁরা।

প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসায় জোর

প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসায় জোর

বিশেষজ্ঞরা প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসায় জোর দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, তথ্য প্রযুক্তি এবং টেলিহেলথ বিশেষজ্ঞ এবং রোগীদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে দিচ্ছে। এই বিষয়গুলি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরিষেবা পেতেও সাহায্য করবে। ভারতে বেশিরভাগ মানুষ এখনও গ্রামেই বাস করেন। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসা পরিষেবা সাশ্রয়ী মূল্যে কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে, সেই বিষয়টিও সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জের বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

দীর্ঘস্থায়ী রোগের সুনামির মুখোমুখি

দীর্ঘস্থায়ী রোগের সুনামির মুখোমুখি

বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবনধারা পরিবর্তিত হচ্ছে। রয়েছে অর্থনীতিতে পরিবর্তনজনিত অসুবিধা। সেই পরিস্থিতিতে ভারত ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, ২০৪০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ক্যান্সার ২০২০ সালের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেড়ে ২৮ কোটি ৪০ লক্ষে পৌঁছে যাবে। ২০২০-তে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ১৯ কোটি ৩০ লক্ষের মতো।
বর্তমানে মহিলাদের স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সংখ্যাটা ফুসফুসের ক্যান্সারে নির্ণয়ের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেলেো, এখনও ফুসফুসের ক্যান্সারে বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ক্যান্সারে যাঁদের মৃত্যু হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে ১৮ শতাংশের মৃত্যু হচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সারে। কোলোরেক্টালে মৃত্যুর সংখ্যাটা ৯.৪ শতাংশ, লিভার ক্যান্সারে ৮.৩ শতাংশ, পাকস্থলীর ক্যান্সারে ৭.৭ শতাংশ, স্তন ক্যান্সারে ৬.৯ শতাংশের মৃত্যু হচ্ছে। তবে ক্যান্সারের ভ্যাকসিন নিয়ে যে গবেষণা চলছে, তা ভবিষ্যতে মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 আক্রমণাত্মক চিকিৎসায় রক্ষা পাওয়া সম্ভব

আক্রমণাত্মক চিকিৎসায় রক্ষা পাওয়া সম্ভব

তবে এব্যাপারে আক্রমণাত্মক চিকিৎসা পদ্ধতিতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। লিকুইড বায়োপসি টেকনোলজির একফোঁটা রক্ত থেকে ক্যান্সার নির্ণয় এব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। স্ক্যানের মাধ্যমে কিংবা আলসার হওয়ার আগেই তা নির্ণয় করা সম্ভব। তবে জিন থেরাপি ক্যান্সার ছাড়াও সিস্টিক ফাইব্রোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবিটিস, হিমোফিলিয়া, সিকেল সেল ডিজিজ এবং এইডসের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+