আপনি ফোনে ব্যস্ত, একাকীত্বে ভুগছেন বাবা-মা, বলছে সমীক্ষা
আপনি ফোনে ব্যস্ত, একাকীত্বে ভুগছেন বাবা-মা, বলছে সমীক্ষা
বিনোদন থেকে কাজ সবটাই এখন মুঠোবন্দি। মোবাইল ছাড়া এক মুহূুর্ত চলেনা তাঁদের। আর যোহাযোহ বলতে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, উইচ্যাট তো রয়েইছে। মোবাইল মুখে নিয়েই দিন কাটছে সকলের। পরিবারের প্রবীণদের অবস্থা সবচেয়ে সংকটজনক। েছলেমেয়েদের সময় নেই তাঁদের সঙ্গে কথা বলার। সমীক্ষা বলছে গেশের ৫৬ শতাংশ প্রবীণ নাগরিক একাকীত্বে ভুগছেন। তার একমাত্র কারণ যুব সম্প্রদায়ের মোবাইল প্রীতি।

একাকীত্বে ভুগছেন প্রবীনরা
দেশের ৬৫ শতাংশ প্রবীণ নাগরিক একাকীত্বে ভুগছেন। সমীক্ষায় এমনই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। লিবার্টি ইন লাইফ অব এল্ডারলি পিপল ২০২০ নামে একটি সংস্থা দেশের ১০টি শহরের প্রবীণদের উপরে এই সমীক্ষা চালিয়েছিল। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, ব্যাঙ্গালোর, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, লখনউ, পাটনা, পুণে এবং আহমেদাবাদ। এই শহরগুলির প্রবীণ নাগরিকদের উপর সমীক্ষা জানিয়ে এই চাঞ্চল্য কর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন তাঁরা।

প্রতিবন্ধকতা অসুস্থতা
সমীক্ষায় আরও একটি তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা গিয়েছে ৫১ শতাংশ প্রবীণ নাগরিক নানারমক জয়েন্ট পেইনে অসুস্থ। তার কারণে তাঁরা বাইরে বেশি হাঁটাচলা করতে পারেন না। বাইরে বেশি হাঁটা চলা করতে না পারার দরুন তাঁদের বাইরের মেলামেশার পরিধি আটকে গিয়েছে। বাড়ির চারদেয়ােলর মধ্যেই আটকে রয়েছেন তাঁরা। বাড়িতে কারোর কথা বলার সময় নেই। পরিবারের ছোটরা মোবাইলে ব্যাস্ত আর ছেলে মেয়েরা কাজ নিয়ে ব্যস্ত। মোটের উপর বাবা-মাকে সময় দেয়ার মত অবসর তাঁদের নেই। ফলে ঘরের এক কোনায় পড়ে থেকে একাকীত্বে ভুগছেন তাঁরা।

প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা বাড়ছে
প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা দেশে দ্রুত গতিতে বাড়ছে। যে তুলনায় জনসংখ্যা বাড়ছে তার তুলনায় অনেক বেশি হারে বাড়ছে প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা। গত ১ দশতে ৪০ শতাংশ বেড়েছে প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা। সেতুলনায় জনসংখ্যা বেড়েেছ মাত্র ৮.৪ শতাংশ হারে। তাতে আরও নতন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাহলে কি মানুষ তাড়াতাড়ি প্রবীণ হয়ে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে একাকীত্ব ঘিরে ধরছে তাঁদের।

জীবনযাত্রা প্রভাব ফেলছে প্রবীণদের
প্রবীণদের একাকীত্বে থাকার আরেকটি বড কারণ হল তাঁরা নিজেদের ফিট রাখার মানসিকতা রাখেন না। অর্থাৎ হাঁটাহাঁটি, যোগাভ্যাস, খাবার নিয়ন্ত্রণ করার মত কাজ গুলি থেকে বিরত থাকে। তাঁদের জীবন যাত্রার কারণেই তাঁরা আরো বেশি করে অথর্ব হয়ে পড়ছেন। বাইরের যোগাযোগ কমে যাচ্ছে। বাইরে বেরোনোর প্রবণতা কমে যাচ্ছে তাঁরা নিজেরা কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন না েসকারণে শরীরে দ্রুত জড়তা চলে আসে।












Click it and Unblock the Notifications