ব্লাড ক্যানসার কী, জানুন এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলি সম্পর্কে
'ক্যানসার’ এই কথাটি শুনলেই আমরা প্রথমেই কিন্তু ভয় পেয়ে যাই। রোগ কীভাবে সারবে বা সারানো হবে বা ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, এগুলো পরের বিষয়। এই রোগটিকে আমরা মরণ রোগ বলেই ধরে থাকি। বর্তমানে ক্রমশই বাড়তে থাকছে এই রোগের রোগের প্রকোপ। বেশিরভাগ মানুষই এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবে সঠিক টাইমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে সুস্থ হন অনেকেই। এখনো কিন্তু অনেক মানুষ এই রোগ নিয়ে সচেতন নয়।
ক্যানসারের বিভিন্ন ধরনের হয়, যেমন ব্লাড ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, লিভার ক্যানসার থেকে শুরু করে সব ধরনের ক্যানসারেই কিন্তু ঝুঁকি থাকে। বর্তমান সময়ে ব্লাড ক্যানসার বা লিউকোমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্লাড ক্যানসারের লক্ষণগুলি সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন। জানুন এখান থেকে।

ব্লাড ক্যানসারের অপর নামই লিউকোমিয়া। এই রোগে যে ব্যক্তি আক্রান্ত হন তাঁদের এই রোগ সুষুম্নাকাণ্ড এবং লিম্ফেটিক সিস্টেমে অসুখ ছড়িয়ে যায়। এর ফলে নানান সমস্যার মধ্যে পরতে হয় তাঁদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগে যারা আক্রান্ত হন তারা বেশিরভাগ মানুষই প্রাপ্তবয়স্ক।
চিকিৎসকদের মতে, ব্লাড ক্যানসারের প্রাথমিক কিছু লক্ষণ থাকে। এই লক্ষণগুলি দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। যেমন দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্ত হওয়া, বারবার ইনফেকশন হওয়া, হঠাৎ হঠাৎ করেই ওজন কমে যাওয়া, লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া, বারবার রক্তপাত হওয়া, সেইসঙ্গে নাক দিয়ে হঠাৎ হঠাৎ হয়ে রক্ত বেরোনো, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, তাছাড়াও হাড়ে মাঝে মধ্যে অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব হওয়া। এই লক্ষণগুলি দেখলে আপনি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

মনে হয়, লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিদের মাথা খুব ঘুরতে থাকে। শরীর দুর্বল হতে থাকে। খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না। ওজন কমতে থাকে। শুধু তাই নয় লিভারে ও নানান সমস্যা দেখা দেয়। কোন কারণ ছাড়াই যদি কখনোও নাক দিয়ে মাঝে মধ্যে রক্ত বেরোয়, তা কিন্তু ব্লাড ক্যানসারের সূত্রপাত। হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া বা সঠিক পরিমাণে খাওয়া দাওয়া করলে ওজন কমে যাচ্ছে ,এটিও কিন্তু ব্লাড ক্যানসারের আরেকটি লক্ষণ।

এই রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাই এই অসুখ ফেলে রাখা একদমই ঠিক নয়, বলা হয় প্রথমে কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট টেস্ট করতে হবে, ব্লাড কাউন্ট টেস্ট করা হলে বোন ম্যারো বায়োপসি টেস্ট করতে হবে। এই পরীক্ষার রোগ সম্পর্কে সাধারণ ধারণা এটি। যদিও প্রয়োজন হয় কারোর কারোর ক্ষেত্রে স্পাইনাল ট্যাপও পরীক্ষা করতে হতে পারে। আবার অনেক সময় চিকিৎসকেরা অনেকের ক্ষেত্রে সিটিস্ক্যান, এমআরআই, পেটস্ক্যান করতে দেন।












Click it and Unblock the Notifications