Diwali 2023: দীপাবলিতে ফাটাবেন পরিবেশ বান্ধব বাজি, জানেন এটি কি, কীভাবে চিনবেন এই বাজি
প্রতিবছর দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজোর পর আসে কালীপুজো, দীপাবলি। আর এই সময়ে সকলেই তাঁর বাড়ি, আবাসন, সুন্দর আলোর রোশনাইয়ে সাজিয়ে তোলেন। আবার অনেকে নতুন জামা কাপড় কেনেন, ইতিমধ্যে অনেকেই কিন্তু ঘর পরিষ্কার করতে শুরু করে দিয়েছেন। প্রতি বছর ১২ নভেম্বর দীপাবলি উৎসব পালন করা হবে, আর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
আর এই দীপাবলিতে সকলেই প্রায় বাজি ফাটান। নতুন পোশাক পরে পুজোয় ঠাকুর দেখা থেকে বাজি ফাটিয়ে থাকেন সকলেই। আতশবাজি পটকা না ফাটালে কি আর দীপাবলি বা কালীপুজো বলে মনে হয় বলুন! তবে আতশবাজি ফাটালে পরিবেশ ক্রমশ দূষিত হয়, এমনকী যারা শ্বাসকষ্টের রোগী রয়েছেন, তাদেরও কিন্তু অনেক সমস্যা বেড়ে যায়। আবার শিশু, বয়স্ক ব্যক্তিদের নানান সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাদের এই আওয়াজে অনেক সময় শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আতশ বাজির পরিবর্তে ফাটান পরিবেশ বান্ধব বাজি।

পরিবেশবান্ধব বাজি বা সবুজ বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্স কি?
এই পরিবেশবান্ধব বাজি বা সবুজ বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্স কি? তার সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন না। মূলত কম দূষণকারী কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করা হয় এই পরিবেশবান্ধব বাজি, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ আতশবাজি বা শব্দবাজির থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ দূষণ কম হয় এই গ্রিন ক্র্যাকার্স।
পরিবেশবান্ধব বাজি কী চিনবেন
ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (CSIR) বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বাজিতে বেশি পরিমাণে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। তাছাড়া এতে বেরিয়াম নামের একপ্রকার যৌগ থাকে না বলে এই বাজিরাও সবুজ হয়। এতে ধাতব অক্সাইড যা বায়ুকে প্রচন্ড পরিমাণে দূষিত করে, আর এই সব পরিবেশবান্ধব বাজি আওয়াজ পরিবেশবান্ধব বাজি থেকে ১১০ থেকে ১২৫ ডেসিবেলের মধ্যে শব্দ থাকে, তার বেশি কিন্তু হয় না। তবে আতশবাজি যেগুলি সেগুলি ১৬০ ডেসিবেলের বেশি। আতশবাজি থেকে পরিবেশ বান্ধব-বাজির মানে শব্দ অনেকটাই কম, ৩০ শতাংশরও বেশি কম। এখন একটাই প্রশ্ন কিভাবে চিনবেন এই পরিবেশবান্ধববাজি।
- কেন এই বাজির গায়ে থাকে ইউ আর কোড
সিএসআইআর থেকে এবং পিইএস ও থেকে জানা গেছে, এই পরিবেশবান্ধব বাজি চেনার সহজ উপায়, তারা বলছে, পরিবেশবান্ধব বাজিতে সবুজ রঙয়ের লোগো থাকবে এবং থাকবে ইউ আর কোড। যা থেকেই আপনি সহজে বুঝতে পারবেন এটি পরিবেশবান্ধব বাজি।
- রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার কম করা হয় এই বাজিতে
প্রত্যেকটি পরিবেশবান্ধব বাজির গায়ে থাকবে বারকোড। এই বারকোড স্ক্যান করলে বাজিতে ব্যবহৃত সমস্ত রাজ্য সমস্ত রকম রাসায়নিক দ্রব্যের সম্পর্কে জানতে পারবেন খুব সহজেই।
- আতশবাজি থেকে বাজির আওয়াজও খুব
এই পরিবেশ বান্ধব বাজিতে কিন্তু বায়ু দূষণ খুব কম করে হয়, বললেই চলে তার কারণ এতে ৩০ শতাংশ যৌগ থাকে। এতে সালফার বা পটাশিয়াম, নাইট্রেট থাকে না। যেহেতু সালফার বা পটাশিয়াম নাইট্রেট থাকে না সেই ক্ষেত্রে এর তীব্রতা বা শব্দের যে জোর তা কিন্তু বেশি থাকে না। এতে অ্যালুমিনিয়াম খুব কম পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। এতে বেশি থাকে ম্যাগনেসিয়াম। এই পরিবেশবান্ধব বাজিগুলির তুলনায় কম শব্দ। এই কারণেই হয় পাঠাবার পর খুব কম শব্দ পাওয়া যায়।
- সাবধানে বাজি ফাটাবেন
তবে, রাস্তার বিক্রেতাদের থেকে কোনও বড় দোকান থেকে বাজি কেনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বাজি যখন ফাটাবেন খুব সাবধানে। এই বাজি মোমবাতি বা ফুলঝুরি দিয়েই বাজি ফাটাবার চেষ্টা করবেন।












Click it and Unblock the Notifications