তীব্র গরমে ঠান্ডা জল দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে! একাধিক সমস্যার মুখে পড়তে পারেন
বাংলায় গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা প্রচুর জল খেতে বলেন। নুন-চিনির জলও খেতে বলেন তাঁরা। যাতে শরীরে নুন কিংবা জলের পরিমাণ কম না হয়। তবে অনেকে সেই উপদেশ এড়িয়ে ঠান্ডা জল খেয়ে নেন। তাতে সাময়িক স্বস্তি বলে মনে হয়। তবে পরে তা অস্বস্তির কারণ হয়।
ঠান্ডা জল খেয়ে সাময়িক স্বস্তি বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ঠান্ডা জল শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারকও বটে। গরমে ঠান্ডা জল খেলে নানা রকমের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। এর মধ্যে হৃদযন্ত্রে গোলযোগ থেকে হজমে অসুবিধা সবকিছুই হতে পারে।

ঠান্ডা জল খেলে হজম প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে। হজমের অসুবিধা হতে পারে। বমি ভাব, পেট ফাঁপার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমন কী বমিও হতে পারে। তীব্র রোদ থেকে কোথাও গিয়ে বিশ্রামের সময় জলের তৃষ্ণা মেটাতে ঠান্ডা জল থেকে গলার সমস্যা হতে পারে। গলা ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছেও দৌড়তে হতে পারে।
ঠান্ডা জল খেলে ব্রেন ফ্রিজ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ঠান্ডা জল স্নায়ুতে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গে মস্তিস্কে বার্তা যায়। যার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কারণে মাথাব্যথা বলে মনে হলেও, এক্ষেত্রে বড় কারণ তীব্র রোদ থেকে আসার পর ঠান্ডা জল খাওয়া।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলেও ঠান্ডা জল পান করা এড়িয়ে যাওয়া উচিত। ঠান্ডা জল খেলে খাবার ভিতরে যাওয়ার সময় শক্ত হয়ে যায়। এছাড়া অন্ত্রও সংশুচিত হয়। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য আরও তীব্র হতে পারে। অন্ত্র সংকোচনের কারণে পেটে ব্যথার পাশাপাশি হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণে সাধারণ জল খাওয়া উচিত।
ঠান্ডা জল খেলে শীরের মেটাবলিজিম ধীরে ধীরে কাজ করতে শুরু করে। যার জেরে এনার্জি লেভেল কমে যায়। ঠান্ডা জল শরীর থেকে চর্বি দূর করতেও অক্ষম। যে কারণে অলসতাও অনুভব মনে হতে পারে। ঠান্ডা জল হৃদস্পন্দন কমিয়ে দেয়। এটি ঘাড়ের পিছনে থাকা শিরাকে প্রভাবিত করে। যা হৃদস্পন্দনকে ধীর করে দেয়। এই পরিস্থিতি হৃদযন্ত্রের জন্যও ভাল নয়।












Click it and Unblock the Notifications