Nose picking: নাক খোঁটার মতো বদঅভ্যাস বাড়াতে পারে কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি, কী বলছেন গবেষকেরা
Nose picking: নাক খোঁটা কিন্তু বদঅভ্যাস! তবে এই অভ্যাস ছোট থেকে বড় অনেকেরই থাকে। বাসে, ট্রামে, ট্রেনে এমন ব্যক্তি আমরা প্রায় সময়েই দেখতে পাই। রাস্তাঘাটে নাক খুঁটলে সেই ব্যক্তিকে খুব অস্বস্তিতে পড়তে হয়, তবুও তাঁরা সেই অভ্যাস থেকে বেরোতে পারেন না। তবে এই অভ্যাস যে শুধু মাত্র অস্বস্তিকর তা কিন্তু নয়, রোগের ঝুঁকিও বাড়ায় অনেক।
সম্প্রতি, এক গবেষণায়, উঠে এসেছে, যে সকল ব্যক্তির নাক খোঁটার মতো বদ অভ্যাস রয়েছে তাঁদের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। নেদারল্যান্ডের একদল গবেষক জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা যারা করোনা রোগীদের সেবা করেছেন, তাঁদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা সবথেকে বেশি ছিল।

প্লোস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এক নতুন তথ্য। আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে ২১৯ জন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর ওপর গবেষণা করেছেন। যেখানে ৮৪.৫ শতাংশ মানুষ তাঁরা তাঁদের নাক খোঁটার মতো বদ অভ্যাস রয়েছে। তাঁরাই কিন্তু বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সমীক্ষা থেকে এতে জানা যায়, করোনার বেশির ভাগ রোগীই নাক খুঁটতেন।
দেখা গেছে, নাক খোঁটার কারণে ক্ষতি হয় নাকের টিস্যুর। আর বাইরের ভাইরাস সে সময় হাতের মাধ্যমে নাকের মধ্যে ঢুকে যায়, করোনার সময় রোগীকে স্পর্শ করার পর সেই হাত নাকে দিলে করোনার ভাইরাস সেই ব্যক্তিরা নাকে ঢুকে গেছে, আর সেই কারণেই তিনি আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে।

গবেষণা থেকে জানা গেছে, করোনার সমস্ত রূপে আক্রান্ত হওয়ার বেশির ভাগ রোগীর নাক খোঁটার লক্ষণ রয়েছে। শারীরিক আর কোন কোন কারণে করোনায় আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে ছিল সেই নিয়ে এখনও গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষকরা।
তাঁরা আরও বলেন, যখন কোভিডের নির্দেশিকা বেরোবে সেখানে যেন সমস্ত পরামর্শের সঙ্গে লেখা থাকে কোভিড রোগীরা নাক খুঁটবেন না তেমন যারা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন বা অন্যান্য ব্যক্তিরা একদমই নাক খুটবেন না। ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনা, তাই এখন থেকেই সাবধান হোন।












Click it and Unblock the Notifications