Economic Survey: কোন পথে দেশের বেকারত্বের হার? অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত নির্মলার
Economic Survey: বেকারত্ব ইস্যুতে লাগাতার বিরোধীদের আক্রমণের মধ্যে পড়তে হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে। এমনকী সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের হাতে অন্যতম বড় ইস্যু ছিল বেকারত্ব। বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বারবার এই ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন রাহুল গান্ধী সহ একাধিক বিরোধী নেতা।
এই অবস্থায় বড় ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের (Finance Minister Nirmala Sitharaman) । আগামীকাল মঙ্গলবার নরেন্দ্র মোদী সরকারের তৃতীয়কালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রিয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর তার আগে আজ সোমবার অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেন।

যেখানে সমীক্ষা অনুসারে, দেশের জিডিপি ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে ৬.৫-৭ শতাংশ অনুমান করা হয়েছে। একই সময়ে মুদ্রাস্ফীতির হার অনুমান করা হয়েছে ৪.৫ শতাংশ। একই সঙ্গে বেকারত্ব নিয়ে বড় বার্তা রয়েছে।
সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ বছর কিংবা এর বেশি বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে বার্ষিক বেকারত্বের হার করোনার (COVID-19) মহামারীর পর থেকে নিম্নমুখী। কাজের ক্ষেত্রে যুবদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। ২০১৭-১৮ সালে ১৭.৮% থেকে ২০২২-২৩ সালে এই হার ১০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে বার্ষিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।
শুধু তাই নয়, লেবার ফোর্স অংশীদারি হার (labuor force participation rate (LFPR) এবং ওয়াকার্স টু পপুলেশন রেশিও (worker-to-population ratio (WPR) এর সঙ্গেও বৃদ্ধি পেয়েছে। শহর কিংবা গ্রাম, দুটি ক্ষেত্রেই তা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।
এমনকি মোট কর্মশক্তির প্রায় ৫৭ শতাংশ যুব ভারতে স্বনির্ভর বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আগামীতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষার ইঙ্গিত অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ গড়ে প্রায় ৭৮.৫ লাখ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। আর তা অকৃষি খাতে হবে বলেও সমীক্ষায় সামনে এসেছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে মুম্বইতে একটি সভায় জগত দিয়ে বেকারত্ব ইস্যুতে পাল্টা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত কয়েক বছরে কত কর্মসংস্থান হয়েছে তা তুলে ধরেন।












Click it and Unblock the Notifications