চাকরি বেড়েছে সারা দেশে! মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রথমবার, রিপোর্ট নিয়ে শোরগোল
চাকরি বেড়েছে সারা দেশে! মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রথমবার, রিপোর্ট নিয়ে শোরগোল
সারা দেশে চাকরির সংখ্যা (Employment Number) বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার এব্যাপারে সর্বভারতীয় ত্রৈমাসিক একটি রিপোর্ট (Employment Survey) প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে চাকরির সংখ্যায় ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৩-১৪ পরে এই প্রথমবার বৃদ্ধি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

প্রথম ত্রৈমাসিকে ছাঁটাইয়ের উল্লেখ ছিল
যদিও এব্যাপারে আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিক অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসের রিপোর্টে বলা হয়েছিল করোনা মহামারীর কারণে ২৭ শতাংশ চাকরি হ্রাস হয়েছে।

শ্রমমন্ত্রকের রিপোর্ট
শ্রমমন্ত্রকের মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব রিপোর্ট প্রকাশ করে বলেছেন, সারা দেশে ১০,৫৯৩ টি সংস্থার ১০ জনের বেশি কাজ করেন। নটি ক্ষেত্রে এই ১০,৫৯৩ টি সংস্থা রয়েছে। এই সংস্থাগুলিতে দেশের ৮৫%এর মতো শ্রমিক কাজ করেন।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের প্রথম ত্রৈমাসিকে কাজের সংখ্যা ৩.০৮ কোটি যা ২০১৩-১৪ সালে ছিল ২.৩৭ কোটির মতো।
গত কয়েকবছরে দুটি ক্ষেত্রে ট্রেড অ্যান্ড অ্যাকমোডেশন এবং রেষ্টুরেন্টে কাজের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ট্রেডে চাকরি কমেছে ২৫ শতাংশের মতো আর অ্যাকমোডেশন এবং রেষ্টুরেন্টে ১৩ শতাংশের মতো চাকরি কমেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গকে দায়ী করেছেন। মহামারীর সময়ে প্রায় ২৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মী সংকোচন করা হয়েছে। তবে উল্লেখের বিষয় এটাই যে ২০২০-র ২৫ মার্চ থেকে ২০২০-র ৩০ জুনের মধ্যে ৮১ শতাংশ কর্মী পুরো বেতন পেয়েছেন।

যেসব ক্ষেত্রে চাকরি বৃদ্ধি
রিপোর্টে বলা হয়েছে আইটি/বিপিও-তে সব থেকে বেশি সংখ্যাক চাকরি হয়েছে। বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ১৫২ শতাংশের মতো। এরপরেই রয়েছে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। সেখানে চাকরির বৃদ্ধি হয়েছে ৭৭ শতাংশের মতো। এরপর পরিবহণ (৬৮%), আর্থিক ক্ষেত্র( ৪৮%), পরিকাঠামো (৪২%), শিক্ষা (৩৯%) এবং উৎপাদন (২২% ক্ষেত্রে চাকরির সংখ্যার বৃদ্ধি হয়েছে।

মহিলা কর্মীর সংখ্যা কমেছে
তবে রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলার কর্মীর সংখ্যা কমেছে। ষষ্ঠ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় যেখানে ৩১ শতাংশ মহালা কাজ করতেন, সেখানে এই বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে সংখ্যাটা নেমে গিয়েছে ২৯ শতাংশে। সমীক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী বলেছেন, প্রমাণ ভিত্তিক নীতি প্রণয়ন এবং পরিসংখ্যান ভিত্তিক বাস্তবায়নই প্রধান ফোকাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কেন্দ্রের তরফে এই ধরনের সমীক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলা হয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে স্কিল দরকার আর সেখানে কী কী ফাঁক রয়েছে, তা উঠে আসে। সরকারের তরফে বলা হয়েছে এই পরিস্থিতির মধ্যে কল্যাণমূলক পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছে সরকার। এর মধ্যে যেমন রয়েছে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা। ইপিএফও এবং ইএসআই থেকে কর্মীদের সম্পর্কে তথ্য সংগর্হ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications