ছাঁটাই নয়, নির্দিষ্ট সময় পেরোলেই সিস্টেম অফ! কর্মীকে বাড়ি যাওয়ার অনুরোধের ছবি ভাইরাল
নেই ছাঁটাইয়ের ভয়। রয়েছে নির্দিষ্ট কাজের সময়। তা একেবারে নির্দিষ্টই। না হলে সিস্টেমটাই বন্ধ হয়ে যাবে। এমনই ছবি ভাইরাল এক সফটঅয়্যার কোম্পানির।
ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা আর তার খবরে জেরবার বেসরকারি ক্ষেত্রের কর্মীরা, তা তিনি যত বড় পদেই থাকুন না কেন। আর নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় অফিসে থেকে যাওয়াটা বেসরকারি ক্ষেত্রের রোজকার ব্যাপার। তবে এব্যাপারে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের এক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা পথ দেখিয়েছে।

সিস্টেম অফ
শিফটের কাজের সময় শেষ। এবার বাড়ি ফেরার পালা। সেটা সাধারণভাবে বেসরকারি চাকুরেদের ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে হয়ে থাকে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে থাকা তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার সদর দফতরে ভিন্ন চিত্র চোথে পড়েছে। সেখানে শিফটের সময় শেষ হলেই কম্পিউটারগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ভাইরাল
বিষয়টি নিয়ে সফটগ্রিড কম্পিউটারের এইচআর তনভি খান্ডেলওয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেছেন, তাদের সংস্থা নমনীয়। আনন্দদায়ক কাজের পরিবেশকেই তারা সমর্থন করেন। তিনি একটি ছবি আপলোড করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাদের এক কর্মীকে বাড়ি যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে। কেননা তাঁর শিফট শেষ হয়ে গিয়েছে। এব্যাপারে ওই কর্মীর কম্পিউটার স্ক্রিনের ছবিও দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইংরেজিতে লেখা, শিফটের সময় শেষ। এই সিস্টেমটি ১০ মিনিটের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে। শেষে ওই কর্মীকে বাড়ি যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রচারমূলক কিংবা কাল্পনিক নয়
ভাইরাল হওয়া ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, এই ছবি কোনও রকমের প্রচারের জন্য করা হয়নি। এটা কোনও কাম্পনিক পোস্টও নয়। এটাই সফট গ্রিড কম্পিউটার্সের অফিসের বাস্তবতা। সেখানে বলা হয়েছে, সংস্থা ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্সকে সমর্থন করেন। সেই কারণেই সময়ের পরে ডেক্সটপ লক করে দেওয়া হয়। এবং তা নিয়ে আগে সতর্কতা জারি করা হয়। এই সমস্থা তাদের কাজের সময়ের পরে কর্মীদের কোনও ফোন কিংবা মেল করে না। এই ধরনের পরিবেশে কাজ করলে কর্মীদের মেজাজও ভাল থাকবে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সেখানে।

ছবি ভাইরালের সঙ্গে নানা মন্তব্য
এই ছবিটি ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা নানা মন্তব্যও করেছেন সেখানে। একজন বলেছেন, তিনি কামনা করছেন, এমনই কাজের পরিবেশ যেন প্রত্যেকটি সংস্থায় থাকে। কর্মীদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা নিয়ে নানা কথা বলা হলেও, তা নিয়োগকর্তাদের কাগজে-কলমেই আবদ্ধ থেকে যায় বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। দিনের পর দিন কর্মীদের কাজের চাপ বাড়তে থাকে এবং তা তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্যহীনতার দিকে নিয়ে যায় বলে মন্তব্য করা হয়েছে পোস্টে।
তবে কেউ কেউ আবার বিরুদ্ধ মতও প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই বিষয়টি উৎপাদনের ওপরে প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁরা যুক্তি দিয়ে বলছেন, এমন একটা সময়ে সিস্টেম বন্ধ করার সতর্কতা দেওয়া হল, সেই সময় থেকে কাজ শেষ করতে ১০ মিনিটের বেশি সময় লাগবে। আর সিস্টেমটি বন্ধ হয়ে গেলে সারা দিনের পুরো কাজটাই পণ্ড হবে।












Click it and Unblock the Notifications