সবুজ হাইড্রোজেনই আগামীর ভবিষ্যত! বিকল্প শক্তিতে ৫০-৬০ লক্ষ কর্মসংস্থান, বললেন গড়করি
বিকল্প শক্তিই (alternate energy) ভবিষ্যত আর তার ওপরেই সরকার জোর দিচ্ছে। এমনটাই বলেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী মন্ত্রী নীতীন গড়করি (nitin gadkari)। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেছেন, সবুজ হাইড্রো
বিকল্প শক্তিই (alternate energy) ভবিষ্যত আর তার ওপরেই সরকার জোর দিচ্ছে। এমনটাই বলেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী মন্ত্রী নীতীন গড়করি (nitin gadkari)। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেছেন, সবুজ হাইড্রোজেন (green hydrogen) হল আগামীর পথ এবং ভারতের ভবিষ্যত।

সরকারের সবুজ হাইড্রোজেন নীতি
সরকারের সবুজ হাইড্রোজেন নীতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে গড়করি বলেছেন, বিভিন্ন ধরনের হাইড্রোডেন রয়েছে। কয়লা থেকে কালো হাইড্রোজেন, পেট্রোলিয়াম পণ্য থেকে হাইড্রোজেন। তবে তিনি সব ধরনের প্রস্তুত কারকদের উদ্দেশে বলেছএন, দেশে সবুজ হাইড্রোজেন দরকার। কেননা বাস্তুতন্ত্র এবং পরিবেশ রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সবুজ হাইড্রোডেন তৈরিতে জৈববস্তুর ব্যবহার
কীভাবে সবুজ হাইড্রোজেন গ্রহণ করা সম্ভব, এপ্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজের শহর নাগপুরের উদাহরণ দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে নর্দমার জল বিক্রি করা হয়। তিনি বলেছেন, সবুজ হাইড্রোজেনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল বিদ্যুতের মূল্য। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের উৎপাদনের খরচ কমাতে এবং সবুজ হাইড্রোডেনের উৎপাদনে জৈববস্তুর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমানো যায়
সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমাতে বিষয়টি গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ছাদে সোলার ইউনিট স্খাপন করে এবং ছোট ইউন্ডমিল দিয়ে বিদ্যুতের খরচ প্রতিইউনিট ২.২০ টাকা কমানো যেতে পারে। এর মাধ্যমে সজুব হাইড্রোডেনের খরচ প্রতি কেজি ১ ডলার কমে রাখা যাবে। এটি করা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে আমরা জেনারেটর ব্যহারের জন্য ডিজেল ব্যহার করি। যার প্রতি লিটারের মূল্য ১১০ টাকা। এর পরিবর্তে বায়ো ইথানল ব্যবহার করলে খরচ ৬০ থেকে ৬২ টাকা হতে পারে। তিনি রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণা নিয়ে ইন্ডিয়ান অয়েলের পরীক্ষার কথাও তুলে ধরেছেন। যেখানে বলা হয়েছে ইথানলের ক্যালরির মান পেট্রোলের সমান।

বিকল্প শক্তিতে ৫০-৬০ লক্ষ কর্মসংস্থান
জৈব বর্জ্য থেকে মিথেন পাওয়া যায়। আর মিথেন থেকে সবুজ হাইড্রোজেন পাওয়া যায়। একইসঙ্গে কৃষিজ বায়োমাসও (তুলোর খড়, গমের খড় এবং ধান) সবুজ হাইড্রোজেন তৈরির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। ভারতীয় গবেষকরা এব্যাপারে চমৎকার কাজ করে চলেছেন বলে জানিয়েছেন গড়করি। সময়ের সঙ্গে সবুজ হাইড্রোজেন তৈরির ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বে ওপরের দিকে থাকবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। বিকল্প শক্তিতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে দেশে ৫০-৬০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications