সার্বভৌম বিনিয়োগের বাজারে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে ভারত, ষষ্ঠ স্থানে চিন
২০২২ সালের বিনিয়োগের বাজারে সার্বভৌম বিনিয়োগকারীরা আমেরিকার পরেই ভারতে পছন্দ করছে,
সোমবার অ্যাসেট ম্যানেজার ইনভেসকোর তরফ থেকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০২২ সালে সর্বভৌম পেনশন ও পাবলিক পেনশন তহবিলে ভারতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। বিনিয়োগের দিক থেকে আমেরিকার পরেই ভারতের স্থান রয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে।

ইনভেসকো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের তরফে জানানো হয়েছে, সার্বভৌম বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে ৩৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার সারা বিশ্বে বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা লক্ষ্য করেছেন, ব্যক্তিগত বাজারে বিনিয়োগ বেড়েছে। যদিও এই বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে এই সার্বভৌম বিনিয়োগকারীদের গড় বার্ষিক রিটার্ন দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশ। ২০২১ সালে সার্বভৌম বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ রিটার্ন হয়েছে বলে সমীক্ষায় জানানো হয়েছে। ২০২২ সালে পরিস্থিতি অনেকটা পাল্টে যায়। ২০২২ সালে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধিতে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় দীর্ঘমেয়াদি সার্বভৌম বিনিয়োগ।
অস্থির অর্থনৈতিক বাজারে বিনিয়োগকারীরা আমেরিকায় ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছিলেন। যার ফলে বিনিয়োগকারীরা আমেরিকার ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যার প্রভাব ইকুইটি বাজারে পড়েছে। দুর্বল হয়ে গিয়েছে ইকুইটি বাজার বল ইনভেসকো তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০১৪ সালে সার্বভৌম বিনিয়োগকারীরা অংনেকাংশে চিনের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে। তবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারত বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় ভারত। সার্বভৌম বিনিয়োগের দিক থেকে ভারত চিনকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। ভারত সার্বভৌম বিনিয়োগের দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। ২০১৪ সালে ভারত নবম স্থানে ছিল। সেখান থেকে ভারত ২০২২ সালের নভেম্বরে সার্বভৌম বিনিয়োগের দিক থেকে প্রথম স্থানে উঠে এসেছে।
সমীক্ষায় ভারতের সার্বভৌম বিনিয়োগের আগ্রহের কারণ হিসেবে বলা ইতিবাচক অর্থনৈতিক সংস্কার। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতে সম্প্রতি বেশ কিছু অর্থনৈতিক সংস্কার করা হয়েছে। যা ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের জনসংখ্যা সার্বভৌম বিনিয়োগের দিক থেকে চিন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে ভারতের থেকে। চিন ২০২২ সালের নভেম্বরের সমীক্ষা অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
গত কয়েক দশকে আফ্রিকায় সার্বভৌম বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গিয়েছে। গত দশকে আফ্রিকায় একাধিক সার্বভৌম তহবিল তৈরি হয়। যার জেরে আফ্রিকায় স্থির বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications