করোনা মহামারীর আগের পর্যায়ের থেকেও নিম্নগামী দেশে বেকারত্বের হার, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিবেদন অনুসারে করোনা মহামারীর আগের পর্যায়ের থেকেও নিম্নগামী দেশে বেকারত্বের হার
ভারতে শহরে বেকারত্বের হার হ্রাস পেতে শুরু করেছে। সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। সেখান থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রের তরফে প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে, গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিক শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার ছিল ১৪.৩ শতাংশ। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে জুন মাসে বেকারত্বের হার ছিল ৭.৬ শতাংশ। চলতি বছরের অগাস্টে একটি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার করোনা মহামারীর আগের পর্যায়ের থেকে কমে গিয়েছে। দেশের বেকারত্বের হার নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে।

MGNREGS- অধীনে কাজের চাহিদা সর্বনিম্ন
ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারন্টি অ্যাক্ট ২০০৫ অধীনে চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে কাজের চাহিদা ছিল সর্বনিম্ন। অর্থ মন্ত্রকের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মে মাস থেকে কাজের চাহিদা ক্রমেই কমতে শুরু করেছে। চলতি অর্থবর্ষে শহরাঞ্চলের থেকে গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্বের হার তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তারমধ্যে কৃষিকাজ ও অন্যান্য কৃষিজাতীয় বিভিন্ন কাজ বৃদ্ধি পাওয়ায় MGNREGS-এর অধীনে কাজের চাহিদা কমতে শুরু করেছে।

দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে সুবিধাজনক অবস্থান
কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জুলাই ও অগাস্ট মাসকে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির শক্তিশালী কর্মক্ষমতাতে নির্দেশিত করেছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারত অর্থনীতির দিক থেকে ভালো ফল করেছে। সেই ফলাফলের ধারা দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ধরে রেখেছে বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের অর্থনীতির ২০২২-২৩ সালে ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত। যা কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আসবে।

পঞ্চম বৃহত্তম এফডিআই প্রাপক
মাসিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থনীতির দিক থেকে ভারত বিশ্বে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। ভারতে ব্যবসায়ের অনুকূল পরিবেশ ও একাধিক সরকারি নীতির কারণে এই আর্থিক উন্নতি হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই গতিতে ভারতের অর্থনীতি এগোলে ২০২২ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের শেষে ১৬.১ বিলিয়ন ডলারের এফডিআই -এ পৌঁছে যাবে।

অর্থ মন্ত্রকের প্রতিবেদন
কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে রফতানি সর্বোচ্চ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরফলে বিশ্বে মন্দার পরেও ভারতীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ভারতকে অনেকটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে এনেছে। করোনা মহামারীর পরে ব্যাপক বাণিজ্যিক ঘাটতির পরেও শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অর্থনীতিকে বেশ খানিকটা শক্তিশালী করেছে। এছাড়াও ২০২২ সালের জুলাই মাসের রফতানি অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক তাদের একটি রিপোর্টে জানিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications